বৃহত্তর আটলান্টায় ‘বাগা’ আয়োজিত দুর্গাপুজো

অর্ক পণ্ডিত, আটলান্টা
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১৪:৫৩:৪৪ | শেষ আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ০৯:১৯:১১
মা আসছেন আটলান্টায়। ব্যস, আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। এক বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। তিন দিনের জন্য আবার আটলান্টা মেতে উঠবে উৎসবের আবেশে, সেজে উঠবে বাঙালিয়ানায়।
আটলান্টার বাঙালিরা উন্মুখ হয়ে রয়েছেন দুর্গাপুজোয় মেতে উঠবেন বলে।
আটলান্টার সবথেকে পুরোনো বাঙালি সমিতি, বেঙ্গলি অ্যসোসিয়েশন অব গ্রেটার আটলান্টা (বাগা), গত আটত্রিশ বছর ধরে মাকে নিয়ে আসছে আটলান্টায়। শুধু আটলান্টা কেন, আশপাশের বিভিন্ন শহর ও রাজ্য থেকেও বাঙালিরা ফি-বছর ভিড় জমান বাগা আয়োজিত দুর্গাপুজোয়।  এ দিকে এখন আটলান্টার বাঙালিরা গা-ঝাড়া দিয়ে প্রস্তুত হচ্ছেন পুজোর জন্য। অফিসের ব্যস্ততার পর, কাজের ফাঁকে, সপ্তাহান্তে সুযোগ পেলেই চলছে পুজোর প্রস্তুতি। পুজো প্রস্তুতির নাতিদীর্ঘ তালিকা ক্রমেই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়ে চলেছে। 
 
এ বছর মা আসছেন নৌকায়। এখানেও এবার মণ্ডপ সেজে উঠছে মায়ের নৌকায় আগমনের আদলে। কার্যনির্বাহী সমিতির সহ-সভাপতিরা, চৈতালি নাথ, সোমা দে আর লহরী দাস ব্যস্ত মণ্ডপসজ্জায়। জয় ভট্টাচার্য, প্রেসিডেন্ট এবং বাকি কার্যনির্বাহী সমিতির সদস্য, সদস্যারা ডুবে গিয়েছে ফোন, টেক্সট আর ই-মেল এর বন্যায়। কার্যনির্বাহী সমিতির সহ-সভাপতি, মমতা পাল নিয়ে আসছেন নতুন ঢাক দেশ থেকে এ বারের পুজোর জন্য। সাত-আটশো লোকের পাঁচ বার খাওয়া-দাওয়া, পুজোর পত্রিকা, দেশ থেকে আসা চার জন অতিথি শিল্পী, আর এখানকার শিল্পীদের বিচিত্রানুষ্ঠান— সব সুষ্ঠূ ভাবে ভাবে সামলানো তো আর সহজ কথা নয়। এ বারের পুজোয় বড় আকর্ষণ, আধুনিক বাংলা গানের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী, অনুপম রায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুপমের গানে মেতে উঠবেন আটলান্টা-র বাঙালিরা। 
 
শুধু আটলান্টা কেন, দূর-দূরান্ত থেকে প্রবাসী বাঙালিরা আটলান্টায় আসছেন অনুপমের গান শুনবেন বলে। শনিবার আসছেন সুরজিৎ ও তার বন্ধুরা। আর রবিবার আসছে সৌমেন নন্দী ও বৃষ্টিলেখা। স্থানীয় শিল্পীরাও ব্যস্ত তাদের প্রস্তুতিতে। এ বার তাঁরা  মঞ্চস্থ করছেন একটি গানের অনুষ্ঠান, একটি নৃত্যনাট্য ও একটি পূর্ণাঙ্গ নাটক। এখানকার কচিকাঁচার দল ও পিছিয়ে নেই। তারাও অতি উৎসাহে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে তাদের পুজোর অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে। বিভিন্ন বাঙালী বাড়িতে সপ্তাহান্তের দুপুর, বিকেলগুলো এখন গমগম করছে নাচ, গান, নাটকের মহড়ায়।
 
 
 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।