সেন্ট লুইসের বাতাসে শিউলির গন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৪ অক্টোবর, ২০১৭, ১৭:০৬:৫৫ | শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর, ২০১৭, ১১:৪৫:১৩
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে। আমরা, অর্থাৎ পুনশ্চ। ৩০ বছর আগে সেন্ট লুইসের জনা কয়েক বাঙালি পরিবার, বাঙালি ঐতিহ্য ধরে রাখতে, বাংলা সাংস্কৃতিক চর্চা চালিয়ে যেতে, আর বাংলা উৎসব পালন করতে, শুরু করেছিল ‘পুনশ্চ’।
এ বার দক্ষিণ ভারতীয় মন্দিরের আদলে মণ্ডপ সাজানো হয়েছিল।

আজ ‘পুনশ্চ’ শাখা প্রশাখা ছড়িয়ে, একটা প্রজন্ম পার করে, সন্ত লুই এর সীমা রেখা অতিক্রান্ত করে হয়ে উঠেছে আমেরিকার অন্যতম সেরা বাঙালি অ্যাসোসিয়েশন।

যে পুজো শুরু হয়েছিল ৩০ বছর আগে বাড়ির বেসমেন্টে, আজ সেই পুজো দেখতে আর অংশ নিতে ২০০ মাইল দূর কলম্বাস আর রোলা থেকে বাঙালিরা আসে। কিন্তু বারোয়ারি পুজো হলেও, পুনশ্চর পুজোর মধ্যে আছে একটা আন্তরিকতা, একটা ঘরোয়া ছোঁয়া। যেন কারণে এত লোকের ভিড়েও কেউ হারিয়ে যায় না।বরং নতুন বন্ধুত্ব তৈরি হয়, আর পুরনো বন্ধু খুঁজে পায়।

সেন্ট লুইসের পুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট হল প্রতিমা আর মন্ডপ সজ্জা । এ বার দক্ষিণ ভারতীয় মন্দিরের আদলে মণ্ডপ সাজানো হয়েছিল। দেবী মূর্তি আনানো হয়েছে কুমোরটুলি থেকে ।

এ বছর পুনশ্চর পুজোর মূল আকর্ষণ ছিল জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত, অত্যন্ত গুণী এবং জনপ্রিয় শিল্পী ইমন চক্রবর্তীর গান। আধুনিক বাংলা গান, রবীন্দ্র সংগীত, এবং দেশের নানান প্রান্তের লোকসংগীতের সুরের মূর্ছনায় ইমন সেন্ট লুইসের বাঙালিদের মন প্রাণ ভরিয়ে দিয়েছেন ।

পুজোর তিন দিন হৈ হৈ করে কেটে গেল। রবিবার সন্ধেবেলা যখন সবাই বিজয়ার কোলাকুলি আর নমস্কার সেরে গাড়িতে উঠছেন,তখন কারও চোখের কোনটা চিক চিক করে উঠেছে, কেউ ভুলে যাওয়ার আগে নতুন বন্ধুকে ফেসবুকে অ্যাড করে নিচ্ছেন।কেউ বা পুজোর অনুভূতিটাকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। সকলের মনের শুধু একটাই প্রার্থনা, ‘মা, এই বছরটা আমাদের ভাল রেখো, আসছে বছর আবার এস’।

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।
সকলকে সাজিয়ে তুলতে দিওয়ালির সম্ভার নিয়ে হাজির ডিজাইনার শান্তনু গুহ ঠাকুরতা।