ডাবলিনেও এ সময় ফোটে কাশফুল

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১৫:৫১:০০ | শেষ আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ০৯:১৯:১১
গ্রামের বাড়ির পাট চুকিয়ে কর্তা মার্কিন মুলুকে পাড়ি দেওয়ার কথা ভাবলে পরিচারক পাঁচু জানান, তিনি যাবেন না। গৃহকর্তা বোঝানোর চেষ্টা করেন, ওখানেও ঘটা করে দুর্গাপুজো হয়। কিন্তু পাঁচু জিজ্ঞেস করেন, কাশফুল ফোটে? কর্তা তখন নিরুত্তর।
ডাবলিনে অ্যায়ারল্যান্ড দুর্গোত্সব কমিটির প্রতিমা।
একটি বাংলা ছবির অংশ। বাস্তবে মার্কিন মুলুকে না ফুটুক, বিলেত লাগোয়া আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে কিন্তু কাশফুল ফোটে। এ বারও ফুটেছে। আর এই বছর শারদোৎসবে ডাবলিনে প্রথম বার হচ্ছে কুমারী পুজো। ‘আয়ারল্যান্ড দুর্গোৎসব কমিটি’-র প্রথম পুজোয়।
 
মণ্ডপ তৈরি হয়েছে ডাবলিনের কমার্শিয়াল রোয়িং ক্লাব-এ। লিফি নদীর উল্টো দিকে ওই ক্লাব। পুজোর উদ্যোক্তা দেবপ্রসাদ হালদার, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়দের অনুভূতি, ‘‘ঠিক যেন গঙ্গার ধারের কোনও জায়গায় পুজো হচ্ছে। কেমন লাগছে, ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’’ জায়গা হিসেবেও পুজো প্রাঙ্গন আকর্ষক। উল্টো দিকেই ফিনিক্স পার্ক বা হরিণের চারণভূমি রয়্যাস ডিয়ার পার্ক।
 
 
ডাবলিনে কাশফুল।
 
আয়ারল্যান্ডে আরও দু’টো পুজো হয়। একটা ওই ডাবলিনেই, যার আয়োজক ‘সুজন বেঙ্গল কালচারাল সোসাইটি’, অন্যটা কিলারনি-তে। তবে আয়ারল্যান্ড দুর্গোৎসব কমিটি-র দাবি, তাঁদের আগে আয়ারল্যান্ডে কেউ কুমারীপুজো করেননি। উদ্যোক্তারা প্রতিমা এনেছেন কলকাতার কুমোরটুলি থেকে। আয়ারল্যান্ড দুর্গোৎসব কমিটি-র নিজস্ব ব্যানারের নকশা তৈরি হয়েছে কলকাতায়। পুজোর সামগ্রী কলকাতা ও লন্ডন থেকে আনা হয়েছে। ডাবলিনের আট-দশটি বাঙালি পরিবার ওই কমিটি তৈরি করেছেন। ওই সব পরিবারের মহিলারাই ভোগ রান্নার দায়িত্বে।
 
পুজোর প্রতিদিন দুপুরে লুচি-আলুর দম-মিষ্টি কিংবা খিচুড়ি-লাবড়া-বিভিন্ন রকম আনাজ ভাজা-পায়েস সহযোগে পংক্তিভোজের আয়োজন। নবমী ও দশমীর রাতে ‘কালচারাল নাইট’। যেখানে গান-বাজনা-আবৃত্তি হবে। পুজোয় এক দিন বাচ্চাদের জন্য থাকছে ‘বসে আঁকো প্রতিযোগিতা’। শুধু বাঙালিরা নন, ডাবলিনের ওই তল্লাট মানে লংমেডোজ, আইল্যান্ডব্রিজের অন্য প্রবাসী ভারতীয়েরা পুজোয় সক্রিয় ভাবে যোগ দিয়েছেন। দুর্গাপুজোয় মেতেছেন স্থানীয় আইরিশরাও। তাঁদের নেমন্তন্ন করা হয়েছে পুজোয়। এই উৎসব তো সকলের।     

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।