ঘরোয়া পরিবেশে নিষ্ঠায় পুজো হল বর্নমাউথে

নিজস্ব প্রতিবেদন
০৩ অক্টোবর, ২০১৭, ১৯:৫৯:৩৯ | শেষ আপডেট: ০৪ অক্টোবর, ২০১৭, ০২:৩৮:৫৯

শুরু হয়েছিল সরস্বতী পুজো দিয়ে। ইংল্যান্ডের দক্ষিণে সমুদ্রঘেষা বর্নমাউথ শহরের কয়েকজন প্রবাসী বাঙালি সামিল ছিলেন বীনাপাণির বন্দনায়। ২০১৬ সালে তাঁরাই আয়োজন করেন শারদোৎসবের। ছোট্ট দুর্গামূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে প্রথমবার হয়েছিল পুজো। এ বার মাতৃমূর্তি আসে কলকাতার কুমোরটুলি থেকে। জাহাজে প্রথমে তা পৌঁছয় সাউদাম্পটন বর্নমাউথ। দেশের মাটি থেকে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে বাঙালি শাস্ত্র-বিধান মেনে চার দিনের পুজো হই হুল্লোড়ে চাটালেন বাঙালিরা। ঘরোয়া পরিবেশে অঞ্জলি থেকে আরতি, ভোগের আনন্দে ভাগ করে নেন ছবির মতো সুন্দর ওই শহরের অন্যান্য ভারতীয়রাও। বিজয়া সম্মিলনীতে ভিড় জমে আট থেকে আশির।

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।