দুবাইয়ে শারদোৎসবে মেতে ওঠেন সব ধর্মের মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ২৩:১৪:৫৭ | শেষ আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ০৯:১৯:১১

ভারতীয় বঙ্গীয় পরিষদের দুবাইতে জন্ম ১৯৮৬ সালে। তখনকার দুবাই আজকের এই দুবাই ছিল না। সেই সময় দুবাইতে বসবাসরত যুবকরা, যাঁরা আরবসাগরের উপকূলে বসে ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপুজোতে দেশে সামিল হতে পারত না। তাঁদেরই সিদ্ধান্ত এই মাতৃপূজার আরাধনার। এই দেশের মূর্তিপুজো অনুমোদিত নয়। এখানে আনন্দ উপভোগের একমাত্র লক্ষ্যের সঙ্গে একত্রিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেবীর আবাহনের মাধ্যমে শারদোৎসব পালন। এই চিন্তাধারায় শুরু হয় দুবাইতে দুর্গাপুজো।

Durga Puja celebration in Dubai-Ananda Utsav 2017

এবং জন্ম হয় ভারতীয় বঙ্গীয় পরিষদের। যা আজ বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন নামে পরিচিত। এই সংগঠন তার শুরুর লগ্নে একমাত্র হিন্দু মন্দিরের ট্রাস্টিদের কাছ থেকে সাহায্য চাইতে হয়েছিল মন্দিরের আওতায় দুর্গাপুজো করার জন্য। ভারতীয় বঙ্গীয় পরিষদ আজ দীর্ঘ পথ অতিবাহিত করে এসেছে এবং এই ৩১ বছরের অ্যাসোসিয়েশনের এই যাত্রা।

Durga Puja celebration in Dubai-Ananda Utsav 2017

ভারতীয় বঙ্গীয় পরিষদ, দুবাই আজ ভারতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি দ্বারা অনুমোদিত। এই সংগঠনের সঙ্গে রয়েছে দুশো সদস্যের পরিবার। এই সংগঠনের তত্ত্বাবধানে দুর্গাপুজোর সূচনা হয় বছরের এক্কেবারে প্রথম থেকেই। প্রথমে হয় হল বুকিং। তার পর কুমোরটুলিতে প্রতিমার বায়না। দশকর্মার বাজার, পুরোহিত ঠিক করা একের পর এক কাজ লেগেই থাকে। শুধুমাত্র পুজোর জন্যই তৈরি করা হয় ওয়ার্কিং কমিটি।

Durga Puja celebration in Dubai-Ananda Utsav 2017

শুধুমাত্র ভারতীয়রাই নয়, অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও যোগ দেন এই পুজোতে। সকল সম্প্রদায়ের ১,৫০০ থেকে ১,৮০০ জন অংশগ্রহণ করেন। বিশেষ করে দুর্গাপুজো আর নবরাত্রিতে একসঙ্গে হওয়ার এই সুযোগ কেউ হাতছাড়া করতে চান না। অনুষ্ঠানের আয়োজন শহরের মাঝেই করা হয়, যাতে সবার যাতায়াতে সুবিধে হয়। ব্যবস্থা করা হয় ভোগেরও। প্রতি বছরের মতো এ বারও পঞ্জিকা মেনে নির্দিষ্ট দিনে পুজো অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।