হংকংয়ের বুকে আড়ম্বরে পালিত হচ্ছে শারদোৎসব

রাজদীপ মজুমদার, হংকং
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ০৫:১৮:২৯ | শেষ আপডেট: ০৪ অক্টোবর, ২০১৭, ০২:৩৭:৩৩

প্রবাসে বাঙালিয়ানার একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে শারদ উৎসব। নিজের জায়গা থেকে বহু দূরে বসে শরতের এই বিশেষ চারটে দিনের জন্য সারাটা বছর অপেক্ষায় বসে থাকে সব বাঙালিই। দক্ষিণ চিন সাগরের উপকূলে হংকংয়ে আবাসিক বাঙালিরাও এর ব্যতিক্রম নয়। হংকংয়ের বাঙালি অ্যাসোসিয়েশনের সৌজন্যে এ বার পুজো ১৯ বছরে পা দিল।

হংকংয়ে এই একটি মাত্র বারোয়ারি দুর্গা পুজো যাকে ঘিরে সকল বাঙালির সমাগম ঘটে।

পুজো ইতিমধ্যেই জোর কদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। গত বছর থেকে এই পুজো ইন্ডিয়ান রিক্রিয়েশন ক্লাবের প্রাঙ্গনে মণ্ডপ বেঁধে করা হচ্ছে।  এ বারেও তাই হল।  পুজোর পাঁচটা দিন পঞ্জিকা মেনে সব আচার পালন করা হয়। পঞ্মীতে ফাইবারের প্রতিমা ওয়্যারহাউস থেকে পূজা মণ্ডপে এনে সুন্দর করে সাজিয়ে শুরু হয় পুজো। পুজোর দু’দিন আগে এসে পড়েছেন পুরুতমশাই ও দুই ঢাকি। কলকাতা থেকে এল পুজোর সামগ্রী, দেবীর শাড়ি, চাঁদমালা।

পুজোর দিনগুলোতে সন্ধেবেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে পুজো প্রাঙ্গণে। অংশগ্রহণে হংকং বাঙালি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। অনুষ্ঠানসূচি ইতিমধ্যেই সারা। সপ্তমী থেকে পূজা পাঙ্গনে সদস্যদের জন্য রয়েছে ভুরিভোজের আয়োজন। রান্নার ঠাকুর এলেন কলকাতা থেকে। মেনুতে রয়েছে লুচি, ছোলার ডাল, মাছ, মাংস, চাটনি আরও কত কিছু। সঙ্গে কলকাতার মিষ্টি। বার্ষিক পত্রিকা ও এই সময় ছাপা হয় এই সময়টাতেই।

 

 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।