অরুণাচলের গোল্ডেন প্যাগোডা উঠে আসছে পওয়াইয়ে

সুতপা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার, মুম্বই
২১ অগস্ট, ২০১৭, ১৫:৫০:৫৪ | শেষ আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ০৯:১৯:১১
হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এই প্যাগোডা দেশ-বিদেশের হাজার হাজার পর্যটকের কাছে অন্যতম আকর্ষণ।
এ পুজোর পথ চলা শুরু হয়েছিল ২০০৬ সালে, দক্ষিণেশ্বর মন্দির প্রাঙ্গণে। দেখতে দেখতে এ বার দ্বাদশ বর্ষের চৌকাঠে এসে দাঁড়িয়েছে পওয়াই বেঙ্গলি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (পিবিডব্লিউএ) আয়োজিত ‘পওয়াই সর্বজনীন দুর্গোৎসব’। আয়োজনে, আড়ম্বরে, সাজসজ্জায়— সবেতেই আন্তরিকতার ছোঁয়া পওয়াই সর্বজনীনে।
এ বছর পওয়াই-এর পুজোপ্রাঙ্গন সেজে উঠবে অরুণাচল প্রদেশের গোল্ডেন প্যাগোডার আদলে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এই প্যাগোডা দেশ-বিদেশের হাজার হাজার পর্যটকের কাছে অন্যতম আকর্ষণ। এই প্যাগোডার আনাচকানাচে তাইল্যান্ড এবং মায়ানমারের শিল্প-স্থাপত্যের ছাপ রয়েছে। সে সব কিছুই উঠে আসবে ভারতের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে, শিল্পীর নিখুঁত হাতের ছোঁয়ায়।
পওয়াই সর্বজনীন দুর্গোৎসবের বড় একটা আকর্ষণ হল পাঁচ দিন ধরে চলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তবে শুধু আনন্দ আর উত্সবে ডুবে থাকে না পওয়াই বেঙ্গলি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোক্তারা। উত্সবের জন্য একত্রিত অনুদানের একটা বড় অংশ ব্যয় করা হয় বিভিন্ন সেবামূলক কাজে।
 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।