আজও সব আনন্দের মধ্যেই ফিরে আসে মা

দেবযানী চট্টোপাধ্যায়
০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১৫:১৩:৩৪ | শেষ আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১৪:৪০:৫৪
না! লিখতে বসে আর মন খারাপ করব না। পুজো তো এসেই গেল বলুন। সবার মধ্যেই পুজো পুজো ভাব চলে এসেছে।
Debjani
শুটিংয়ের অবসরে। ছবি: অনির্বাণ সাহা।

হুট করে কোনও বন্ধুবান্ধব চলে এল বাড়িতে। সবাই মিলে কোথাও খেতে চলে গেলাম। সবাই মিলে আড্ডা মারলাম— এটাই আমার পুজো। কোনও প্ল্যান ছাড়া সেই মুহূর্তে যেটা হবে সেটাই পুজোর আনন্দ।

ছোটবেলায় চেয়ার নিয়ে গোল হয়ে পাড়ার পুজোয় বসে থাকা, খুনসুটি। বন্ধুরা সকলে থাকত। সেই দিনগুলো খুব মিস করি। আসলে সকলেই বোধহয় পুজোয় নস্ট্যালজিক হয়ে পড়ে। খুঁজে পেতে চায় হারিয়ে যাওয়া ছোটবেলা। আমার মায়ের কথাও খুব মনে পড়ে, জানেন…। যদিও খুব কম বয়সেই মাকে হারিয়েছি। তবুও আজও সব আনন্দের মধ্যেই ফিরে আসে মায়ের কথা। যত খুশি থাকি না কেন, মা না থাকার যে অনুভূতি তা কিছুতেই পিছু ছাড়ে না।

না! লিখতে বসে আর মন খারাপ করব না। পুজো তো এসেই গেল বলুন। সবার মধ্যেই পুজো পুজো ভাব চলে এসেছে। আমার এখনও পর্যন্ত কোনও শপিং হয়নি। সারা বছরই কিছু না কিছু কেনা হতে থাকে। তবে পুজোর শপিং একটা আলাদা ব্যাপার!যা শুটিং শিডিউল চলছে, হয়তো দেখব পঞ্চমীর দিন গিয়ে কিছু একটা কিনে ফেললাম।

তবে ওই যে বললাম, কোনও প্ল্যান করি না পুজোয়। আনপ্ল্যানড ভাবেই পুজোটা কাটাতে ভালবাসি।

 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।