পুজোর কলকাতার ম্যাডনেস আর কোথায় পাব বলুন?

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১১:৫৮:০৮ | শেষ আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ০৬:৩৬:৩৪
পুজোর প্ল্যান নিয়ে কলম ধরলেন গায়িকা পরমা দাশগুপ্ত

গত ১০ বছর ধরে মুম্বইতে আছি। গোরেগাঁওতে থাকি আমি। ঠিক ওয়ান মিনিট ওয়াকিং ডিসট্যান্সে একটা মন্দির রয়েছে। পুজোর সময় সেখানে যাই। তবে কলকাতার ম্যাডনেস আর কোথায় পাব বলুন?

আসলে মুম্বইতে থাকলেও পুজোর সময় কলকাতাকে খুব মিস করি। আমরা ফুলবাগানে থাকতাম। পুজোর সময় ম্যাডক্স স্কোয়ার তো জাস্ট ভাবা যাচ্ছে না। ঠিক এই সময়টাতে মিষ্টি কিছু প্রেম হয়। যাদের সঙ্গে চোখে চোখে কথা হল, তাদের সঙ্গে আর কোনওদিন দেখা হবে না। এখানে তো আর ও সব হয় না। সাত-আট বছর হয়ে গিয়েছে পুজোর কলকাতার ফ্লেভারটা পাই না। এখনও সারা বছর ওই দু’তিনটে দিনের জন্য ওয়েট করি।

তবে পুজোর খাওয়াটা এখানেও জমিয়ে হয়। কিন্তু সেই কলকাতার স্বাদ মিসিং। ওখানকার রাস্তার চাউমিনের যে স্বাদ…উফ…আর কোথাও পাব বলুন?আমার তো মনে হয় ডায়েট যদি করতেই হয়, এক্সসারসাইজ যদি করতেই হয় তা হলে পুজোর দু’তিন মাস আগে থেকে ও সব করাই ভাল। কারণ খাওয়ার ব্যাপারটা বাঙালিদের কাছে রিলিজিয়নের মতো।  

মুম্বইতে তো দুর্গাপুজোর সময় ছুটি থাকে না, কাজ থাকে, এ বারও থাকবে। ওই কয়েক দিন একটু ট্র্যাডিশনাল কিছু পরার চেষ্টা করব। তবে রাতে বেরব। লোখান্ডওয়ালা, পওয়াই, এ সব জায়গায় খুব ভাল পুজো হয়। রাতভর ঠাকুর দেখব।

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।