লক্ষ্মী পুজোর শেষে ভোগ বিতরণ করাটা আমার দায়িত্ব

ইন্দ্রাণী হালদার
০৩ অক্টোবর, ২০১৭, ১৮:২০:৫৯ | শেষ আপডেট: ০৩ অক্টোবর, ২০১৭, ১২:৫৯:১৮
প্রতি বছরই লক্ষ্মী পুজোর জন্য নতুন একটা শাড়ি তুলে রাখি। এ বার একটা হলুদ টাঙ্গাইল রেখেছি।
Indrani Haldar

ছোট্ট থেকেই দেখেছি মা বাড়িতে লক্ষ্মীপুজো করে। এখনও বাড়িতে সেই ট্র্যাডিশন চলছে। মায়ের একটা রূপোর লক্ষ্মী ঠাকুর রয়েছে। তবুও আমরা মূর্তি কিনে আনি। তার ওপর আমি একটু কারুকাজ করি। সাজাই ঠাকুরকে।

পুজোর দিন খিচুড়ি, তরকারি, পাঁচ রকম ভাজা, পায়েস তো হবেই। মা এ সময় বাড়িতে কিছু মিষ্টি তৈরি করেন। এখন তো এ সবের চল নেই আর। তবুও আমার মা এখনও কিছু না কিছু তৈরি করবেনই। আল্পনাও দেওয়া হয় বাড়িতে। তবে এটা আমার ভাইয়ের বউ পর্নার ডিপার্টমেন্ট। ও খুব ভাল আল্পনা দেয়। আমাদের সব কাজ ভাগ করা থাকে। আমি তো মাকে পুজোর কাজে সাহায্য করি। গুছিয়ে দিই। আর পুজো শেষে ভোগ বিতরণ করাটাও আমার দায়িত্ব।

প্রতি বছরই লক্ষ্মী পুজোর জন্য নতুন একটা শাড়ি তুলে রাখি। এ বার একটা হলুদ টাঙ্গাইল রেখেছি। এই শাড়িটা আমার কাছে খুব স্পেশ্যাল। আসলে দক্ষিণেশ্বর গিয়েছিলাম আমি। ওখানকার মূল পুরোহিত আমাকে কালীমায়ের একটা শাড়ি দিয়েছিলেন। সেটাই রেখে দিয়েছি, লক্ষ্মীপুজোর দিন পরব।

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।