পুজোয় কোন বিশেষ কারণে নীলাঞ্জনার উপর ভরসা করেন যিশু?

নিজস্ব প্রতিবেদন
১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ০৬:৩৫:৪০ | শেষ আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১৪:৪০:৫৪
অষ্টমীর সকালের ধুতি-পাঞ্জাবি। ওটা পরতেই হবে। আর বাকি যেটাতে কমফর্টেবল।
jisshu sengupta
ফ্রেমবন্দি দম্পতি। ছবি: নীলাঞ্জনা সেনগুপ্তর টুইটার পেজের সৌজন্যে।

দুর্গাপুজো মানেই যেন বেশ কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম ভাঙার গন্ধ। কখনও ডায়েট, কখনও বা ডেলি রুটিন— ভেঙেচুরে যায় সব কিছুই। সেলেবরাও ব্যতিক্রম নন। বছরভর শুটিংয়ের অবসরে ছুটি কাটান তাঁরা। অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের পুজো মানে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। নিজেই স্বীকার করলেন সে কথা।

আর ডায়েট? যিশুর কথায়: ‘‘আমি এমনিতেই ডায়েটে খুব একটা বিশ্বাস করি না। আর পুজোর সময় তো কোনও বাছবিচার নেই। বিরিয়ানি ইজ মাস্ট। যে কোনও ধরনের স্টিক থাকবে। এ ছাড়া ফুচকা আর ভেলপুরি তো রয়েইছে। এগুলো তো এনিটাইম, এনিহোয়্যার।’’

পুজোর জন্য কি আলাদা কোনও ফ্যাশন স্টেটমেন্ট রয়েছে? যিশুর উত্তর, ‘‘অষ্টমীর সকালের ধুতি-পাঞ্জাবি। ওটা পরতেই হবে। আর বাকি যেটাতে কমফর্টেবল।’’ যদিও যিশু জানিয়েছেন, পুজোতে তিনি কী কী পরবেন তার দায়িত্ব থাকে স্ত্রী নীলাঞ্জনারই। নিজে পছন্দ করে পোশাক কিনলেও নীলাঞ্জনার পছন্দের উপরেই চোখ বন্ধ করে ভরসা করেন তিনি।

 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।