কম বাজেটে লক্ষ্মীলাভ

রেশমী প্রামাণিক
১৬ অক্টোবর, ২০১৭, ১৩:৪৯:৪০ | শেষ আপডেট: ১৬ অক্টোবর, ২০১৭, ০৮:২৬:০৮
হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কার্তিক মাসের ত্রয়োদশীতে পালিত হয় ধনতেরাস। অন্য যে কোনও ক্ষেত্রে ১৩ সংখ্যাটিকে অশুভ ধরা হলেও ধনতেরাসে এই ১৩তম দিনটি শুভ হয়ে ওঠে। মূলত ধনলক্ষ্মীর আরাধনায় মেতে ওঠে আপামর জনসাধারণ। কালীপুজোর দু’দিন আগে পালিত হয় এই উৎসব। সূর্যাস্তের পর শুভ ক্ষণ মেনে শুরু হয় কেনাকাটা। আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ছবি: অনির্বাণ সাহা

এই অগ্নিমূল্যের বাজারে প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকেই ক্রেতাদের জন্য লোভনীয় সব উপহারেরে পসরা সাজিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া শুরু করেছে গয়নার দোকানগুলি। অনেকের ধারণা এই মরসুমে গয়না কিনলে নাকি ধন একটু কম লাগে। সদ্য শেষ হয়েছে বাঙালির সবচেয়ে বড় কার্নিভাল। তাই মনে বিষাদের ছায়া থাকলেও নতুন মাস পড়ার আনন্দে এবং আসন্ন বিয়ের মরসুম উপলক্ষে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে কেনাকাটায়। 

A Guide To Budget Shopping For Dhanteras

ধনতেরাস মানেই গৃহলক্ষ্মীর আগমন হেতু নতুন কিছু কেনা। বাসনপত্র, টোস্টার থেকে শুরু করে সোনাদানা, হোম ডেকোরেশনের জিনিসপত্র বাদ যায় না কিছুই। অফারে অফারে ছয়লাপ ই-কমার্স সাইটগুলিও। হাতিবাগান টু গড়িয়াহাট— উপচে পড়া ক্রেতার ভিড় খেয়াল করেছেন কি? সামনেই হয়তো আপনার প্রিয়জনের কোন শুভ অনুষ্ঠান রয়েছে। শাড়ি জামাকাপড় কি পরবেন ঠিক করে ফেললেও এখনও গয়নাটা ঠিক কিনে উঠতে পারেননি। সোনা আমাদের সম্পদ, কিন্তু অতি সাবধানী বাঙালিও যে কোন অনুষ্ঠানে কাজ  চালান নকল সোনা পরে। নিদেনপক্ষে রুপো। জাঙ্ক গয়নার নানা রকম কালেকশন আপনি বছরভর পাবেন, কিন্তু গোল্ডেন কিছুর চাহিদা থাকলে  কেনার জন্য এই সময়টা একেবারে বেস্ট। ফুটপাথ জুড়ে সোনালি গয়নার পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানদারেরা। নেকলেস থেকে শুরু করে দুল, আংটি, মানতাসা, কানপাশা, চুড়ি, টিকলি কোমরবন্ধ— কী নেই সেখানে। যে রকম চাইবেন সে রকম পাবেন। এক্কেবারে মনের মতো। যে হেতু ধনতেরাসের সময়ে কিনছেন, তাই নিজ গুণে দরাদরিও করতে পারবেন। সোনার দোকানের সঙ্গে পাল্লা দিতে কম যান না এঁরাও।  রয়েছে উপহারের চমক। যেমন চুড়ির সঙ্গে আংটি ফ্রি। আর এতেই বোন থেকে কাকিমা সবাই খুশ।  

A Guide To Budget Shopping For Dhanteras

খাঁটি রুপো থেকে শুরু করে জার্মান সিলভার, চাহিদা অনুযায়ী সবই পাবেন। তবে এর জন্য বাতানুকূল দোকান নিষ্প্রয়োজন। এসপ্লানেড থেকে শুরু করে গড়িয়াহাট চত্বর এ রকম প্রচুর দোকান রয়েছে। মনকাড়া নকশার রুপোর গয়নার সঙ্গে চাহিদা মতো মিলবে বাসনপত্র। যে হেতু ধনতেরাস তাই চাইলে কিনতে পারেন রুপোর লক্ষ্মী-গণেশ কিংবা বেলপাতা, কচ্ছপ। দরাদরির সুযোগ তো রয়েছে, সঙ্গে আছে আকর্ষণীয় উপহার।  

রাত পোহালেই ধনতেরাস। উইশলিস্ট বানিয়ে আপনিও নেমে পড়ুন কেনাকাটায়। মা লক্ষ্মীর আগমন হোক আপনার সুখের বাসাতেও।         

 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।
সকলকে সাজিয়ে তুলতে দিওয়ালির সম্ভার নিয়ে হাজির ডিজাইনার শান্তনু গুহ ঠাকুরতা।
সকালে অন্যরা যখন ঘুমিয়ে পুজোর হুল্লোড়ের স্বপ্ন দেখছে আপনি তখন ঘেমে নেয়ে একাকার।