ইলিশ হোক আর চিংড়ি— বিজয়া জমুক কষে কষায়

রুম্পা দাস
১৩ অক্টোবর, ২০১৬, ১৬:০৫:১০ | শেষ আপডেট: ২৫ অক্টোবর, ২০১৬, ১৩:২১:৪৩
koshe kasha
গন্ধরাজ মাংস। ছবি: শুভেন্দু চাকী

বাঙালি সারা বছর অপেক্ষায় থাকে দুর্গাপুজোর। প্রায় তিন-চার মাস আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় দিন গোনার পালা। কিন্তু ষষ্ঠী থেকে দশমী— এই পাঁচ দিনে কি আর পুজোর আনন্দে মন ভরে? তাই পুজো শুরু মহালয়া থেকেই। আর উদ্‌যাপন চলে অন্তত ভাইফোঁটা পর্যন্ত। এরই মধ্যে আছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিজয়া দশমী সারা, লক্ষ্মী পুজোর জোগাড়, দীপাবলীর সাজ আর ভাইফোঁটার উপহারের ঠেলা সামলানো। তাই বিজয়া উপলক্ষেই যদি সেরে নেওয়া যায় পেটপুজো, মন্দ হয় না। আর সমস্ত বাঙালি খাদ্যরসিকদের কথা ভেবে ‘কষে কষা’ পার্বণ উপলক্ষে স্পেশ্যাল খাবারের মেনু বহাল রেখেছে লক্ষ্মী পুজোর আগের দিন অবধি।

Enjoy Bijoya With Koshe Kasha After Durga Puja-Ananda Utsav

আম কাসুন্দি ইলিশ

ইলিশের দিন প্রায় শেষের পথে। আর আম তো মুখ লুকিয়েছে কবেই। তাই এই শেষ বেলায় ‘কষে কষা’র আম-কাসুন্দি ইলিশে ভরে নিতে পারেন মন-প্রাণ। কষে তৈরি মাংস তো ছিলই, এ বার তার সঙ্গে অতিরিক্ত সংযোজন গন্ধরাজ লেবুর রসে স্নিগ্ধ মুরগির মাংস। লোকে বলে ডিম আর আলু ছাড়া কলকাত্তাইয়া বিরিয়ানি জমেই না! এই বেলা বরং গলদা চিংড়ির বিরিয়ানি খেয়ে দেখুন। সাবেক আলু-ডিম-মাংসের বিরিয়ানিকে রীতিমতো মাত দেবে।

Enjoy Bijoya With Koshe Kasha After Durga Puja-Ananda Utsav

মালাই চিংড়ির বিরিয়ানি

বাঁশকাঠি বা বাসমতি চালের সুগন্ধী ভাতের সঙ্গে প্রথম পাতে যদি সোনা মুগ ডাল আর তোপসে ফ্রাই দিয়ে শুরু হোক ভোজ। মৎস্যপ্রেমীদের জন্য ‘কষে কষা’ রাখছে চিতল মাছের মুইঠ্যা, সর্ষে ইলিশ, ভাপা ইলিশ, কাতলা কালিয়া, চিংড়ির মালাইকারি— মাছের হরেক পদ। বাদ পড়েনি রসুন ভাপা ভেটকি, পাবদার ঝাল, ভেটকির পাতুরিও।

Enjoy Bijoya With Koshe Kasha After Durga Puja-Ananda Utsav

মশলা মুরগি

বাসন্তী পোলাওয়ের সঙ্গে যদি জমিয়ে খেতে চান কষে রান্না করা মাংস, তাহলে আপনার জন্য হাজির কষা মুরগি, মশলা মুরগি, ঢাকাই মাংস কিংবা কচি পাঁঠার ঝোল। আর শেষ পাতে চাটনির সঙ্গে ভালবাসে না হয় মিষ্টি মুখ করুন আম দই আর বেক্‌ড রসগোল্লা দিয়েই।Enjoy Bijoya With Koshe Kasha After Durga Puja-Ananda Utsav

রসুন ভাপা ভেটকি

তাহলে আর দেরি কেন, বিজয়ার উদ্‌যাপনে কষে কষায় থাকুক উৎসবের রেশ।

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।