তিন ঘরানার খাবারের এক নাম— দ্য পিয়ারলেস ইন

রুম্পা দাস
০৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১১:০৬:১৫ | শেষ আপডেট: ২৫ অক্টোবর, ২০১৬, ১৩:২১:৪৩
pearless inn
ছবি সৌজন্য: দ্য পিয়ারলেন ইন

পুজোয় এক এক জনের চাই এক এক রকমের খাবার। কারোর পছন্দ বাঙালিয়ানা তো কেউ ঝোঁকে কন্টিনেন্টালের দিকে। কারোর মুখ সাবেক শুক্তো, পুর ভরা ভেটকি বা রাজকীয় রাধাবল্লভীতে উজ্জ্বল তো কারোর চাই সয়া সসে মাখা হাকা নুডল্‌স কিংবা কুড়মুড়ে করে ভাজা মাংসের পুর ভরা ওয়ানটন। আর যদি সক্কলকে খুশি করার জন্য এক ছাদের তলায় মিলে যায় সমস্ত ঘরানার ক্যুইজিন! তাই এই পুজোয় সেই সুযোগটাই করে দিয়েছে ‘পিয়ারলেস ইন’।

Pearless Inn Special Menu For Durga Puja-Ananda Utsav

‘পিয়ারলেস ইন’-এর ‘আহেলী’ এক মাস ব্যাপী দুর্গাপুজো স্পেশ্যাল বিশেষ খাবারের পার্বণ এনে হাজির করেছে সমস্ত খাদ্যরসিকদের জন্য। রোজকার ধূম্রগন্ধী ইলিশ, পোলাও রাজনন্দিনী, ডাল রায়বাহাদুর, ডাব চিংড়ির পেলবতার পাশাপাশি পেয়ে যাবেন শারদীয়া স্পেশ্যাল বিশেষ বুফের ব্যবস্থা। তাতে মাছ, চিংড়ি, চিকেন, মাটনের হরেক লোভনীয় পদ তো থাকছেই। মিলবে ডজাল, পোলাও। চাটনি, পাঁপড়, মিষ্টির হরেক ব্যঞ্জন। তাই আহেলীর ‘খাই খাই’-এ জমিয়ে সেরে নিতে পারেন পুজো স্পেশ্যাল লাঞ্চ কিংবা ডিনার।

Pearless Inn Special Menu For Durga Puja-Ananda Utsav

বাঙালি খাবার নয়, এ বার স্বাদ বদলের জন্য ভাবছেন ঝুঁকবেন উত্তর ভারতীয় খানায়? চিন্তা নেই কোনও। ‘নিজাম-এ-দরবার’-এ আপনাদের জন্য হাজির রকমারি কাবাব, লোভনীয় বিরিয়ানি, মাখনে ভরপুর নানা পঞ্জাবি খানা। ঠিকানা? পিয়ারলেস ইন-এর ‘ওশানিক’।

Pearless Inn Special Menu For Durga Puja-Ananda Utsav

চাইনিজ খাবার বাঙালির কাছে এখন প্রায় ভাত-মাছের মতোই, ‘স্টেপ্‌ল ফুড’ যাকে বলে। কিন্তু বাজারচলতি চাইনিজে আর মন ভরছে না তো? তাই পিনারলেস ইন-এর ‘ইগো রেট্রো লাউঞ্জ’ আপনার জন্য হাজির করেছে চাইনিজ স্পেশ্যাল বুফে। নুডল্‌স, সেজ্যুয়ান, ডিমসাম, মাঞ্চুরিয়ান, স্যুপ, ড্রাম্‌স অব হেভেন, স্টার ফ্রায়েড রাইস বা ভেজিটেবল— সেই তালিকায় বাদ পড়বে না কিছুই।

তাহলে আর চিন্তা কেন? বাঙালি খানাই হোক, কিংবা পঞ্জাবি অথবা চাইনিজ— আহেলী, ওশানিক, ইগো রেট্রোর হরেক বুফে আপনার মন ভরাতে পিছপা হচ্ছে না মোটেও।

 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।