দীপাবলির আড্ডা জমুক ফিউশন খাবারে

রুম্পা দাস
২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১০:৪৭:০৪ | শেষ আপডেট: ২৯ অক্টোবর, ২০১৬, ১০:৫৮:৫৩
স্বভূমি লাগোয়া যে ফিউশন রেস্তোরাঁর নানা পদ রীতিমতো চমক দিয়েছে খাদ্যরসিকদের, সেটার নাম ‘কেকে’জ ফিউশন’। আর সেই রেস্তোরাঁর মালিক এবং এক্সিকিউটিভ শেফ প্রদীপ রোজারিও সমস্ত ভোজনবিলাসীদের জন্য দীপাবলিতে উপহার দিয়েছেন কয়েকটি ফিউশন খাবারের পদ। সেখানে বাঙালির আদি ও অকৃত্রিম শুক্তোর সঙ্গে এসে মিলেছে মশলা মাখা গ্রিল্‌ড ভেটকি। কাজু বাদাম ভরপুর পোলাওয়ের পাশাপাশি পাবেন কষা গ্রেভি আর রুল্যাদ। তাহলে আর দেরি না করে আজই পড়ে নিন। আর আপনার বাড়ির দীপাবলির বিশেষ আড্ডায় তাহলে পাতে থাকুক ফিউশন খাবার।
fusion food
ছবি: শুভেন্দু চাকী

গ্রিল্‌ড ভেটকি উইথ শুক্তো

উপকরণ:

ভেটকি— ২ পিস

সজনে ডাঁটা— ১ কাপ

কাঁচকলা— ১ কাপ

করলা— ১ কাপ

লাউ— ১ কাপ

ট্যাঁড়শ— আধ কাপ

আলু— দেড় কাপ

পেঁয়াজ— ২ কাপ

আদা— ১ চা চামচ

রসুন— ১ চা চামচ

ধনে পাতা— আধ আঁটি

পার্সলে পাতা— আধ আঁটি

রাঁধুনি— ১ চা চামচ

অলিভ অয়েল— ৬ চা চামচ

লঙ্কা— ১ চা চামচ

গোলমরিচ গুঁড়ো— ১ চা চামচ

লেবুর রস— ২ টেবিল চামচ

ভিনিগার— ১ টেবিল চামচ

 

প্রণালী: মাছ ভাল করে ধুয়ে রাখুন। একটি বাটিতে পার্সলে কুচি, ধনে পাতা কুচি, ভিনিগার, অলিভ অয়েল, নুন, লঙ্কা গুঁড়ো ও গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। ভেটকি মাছের টুকরো সেই মিশ্রণ ম্যারিনেট করে রাখুন। সমস্ত সব্জি ছোট ছোট টুকরো করে জলে ভিজিয়ে রাখুন। ম্যারিনেট করে রাখা মাছের টুকরো ভাল ভাবে গ্রিল করে নিন। পাত্রে তেল গরম করে সমস্ত সব্জির টুকরো দিয়ে ভেজে নিন। তাতে একে একে আদা বাটা, রসুন বাটা, লেবুর রস, নুন, গোলমরিচ গুঁড়ো ও রাঁধুনি দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। শুক্তো রান্না হয়ে গেলে পরিবেশন করার পাত্রে প্রথমে শুক্তো ও তার উপরে গ্রিল করে রাখা ভেটকি মাছ সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

Special Fusion Food Recipes By Chef Pradip Rozarrio For Diwali-Ananda Utsav

মিট রুল্যাদ উইথ কষা গ্রেভি অ্যান্ড ড্রাই নাটস পোলাও

মিট রুল্যাদ:

উপকরণ:

চিকেন ব্রেস্ট— ১টি

আদা— আধ কাপ

পেঁয়াজ— ১ কাপ

কাঁচা লঙ্কা— আধ কাপ

পর্ক বেলি— ১ কাপ (কিমা)

ধনে পাতা— আধ কাপ

পারমেসান চিজ— ১/৪ কাপ

ডিম— ১টি

নুন— স্বাদ মতো

গোল মরিচ— স্বাদ মতো

বানাবেন কীভাবে: চিকেন ব্রেস্ট ভারী কিছু দিয়ে টেন্ডারাইজ করে নিন (অর্থাৎ ভারী কিছু দিয়ে চিকেনের টুকরোর ওপর মেরে মাংসটাকে নরম ও পাতলা করে দেওয়া)। একটি বাটিতে পর্ক কিমা পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা লঙ্কা কুচি, পারমেসান চিজ, ধনে পাতা কুচি, আদা কুচি, নুন ও গোলমরিচ দিয়ে একটি ম্যারিনেট করে রাখুন। ডিমের সঙ্গে লঙ্কা গুঁড়ো মিশিয়ে ফেটিয়ে নিন। চিকেন ব্রেস্টে নুন ও গোলমরিচ ছড়িয়ে রাখুন। ডিমের গোলায় আ?তো এক বার চিকেন ডুবিয়ে নিন। তার পর চিকেনের ভিতরে ম্যারিনেট করে রাখা পর্কের কিমা দিয়ে রোল করে নিন। এ বার ফয়েলে ওই রোল মুড়ে রাখুন। পাত্রে তেল গরম করে চিকেন ব্রেস্টের রোল ভাজুন। এ বার সামান্য জল দিয়ে সেদ্ধ হতে দিন। রুল্যাদ তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।

কষা গ্রেভি:

উপকরণ:

পেঁয়াজ— ৩ কাপ (ঝিরিঝিরি করে কাটা)

টোম্যাটো— ২ কাপ (চৌকো করে কাটা)

ধনে পাতা— ১ কাপ (কুচনো)

আপেল জ্যুস— ৩ টেবিল চামচ

রসুন ও আদা বাটা— ১ টেবিল চামচ

লাল লঙ্কা গুঁড়ো— ১ চা চামচ

গরম মশলা গুঁড়ো— ১ চা চামচ

হলুদ গুঁড়ো— আধ চা চামচ

তেজ পাতা— ২টি

নুন— স্বাদ মতো

ঘি— প্রয়োজন মতো

প্রণালী: পাত্রে ঘি গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিন। পেঁয়াজের গায়ে লালচে রং ধরলে একে একে আদা-রসুন বাটা, টোম্যাটো কুচি ও ধনে পাতা কুচি দিন। এগুলি ভাজা ভাজা হয়ে এলে একে একে তেজ পাতা, লাল লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, নুন দিয়ে দিন। লালচে রং ধরলে আপেলের জ্যুস দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। গ্রেভি শুকিয়ে এলে নামিয়ে নিন।

ড্রাই নাটস পোলাও

উপকরণ:

বাসমতি চাল— ৫০০ গ্রাম

পেঁয়াজ— ৩টি

কাঁচা লঙ্কা— ২টি

কাজু বাদাম— আধ কাপ

দুধ— ৫০০ মিলি

জল— ৫০০ মিলি

নুন— স্বাদ মতো

গরম মশলা গুঁড়ো— ১ চা চামচ

অরেঞ্জ জেস্ট— ১ চা চামচ

প্রণালী: পেঁয়াজ লালচে করে ভেজে তুলে নিন। অর্ধেক ভাজা পেঁয়জা তুলে রাখুন। চাল বাকি অর্ধেক ভাজা পেঁয়াজের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। নিচু আঁচে পেঁয়াজ মাখা চাল কয়েক মিনিট রান্না করুন। তাতে লঙ্কা কুচি ও অরেঞ্জ জেস্ট দিন। এর পর স্বাদ মতো নুন ও গরম মশলা গুঁড়ো দিয়ে নাড়ুন। তাতে জল ও দুধ দিয়ে ফুটতে দিন। অন্য পাত্রে মাখনে কাজু বাদাম লালচে করে ভেজে তুলুন। এ বার ভাতের সঙ্গে ভাজা কাজু বাদাম মিশিয়ে নিন। এ বার ভাজ পেঁয়াজ ছড়ডিয়ে নিলেই তৈরি পোলাও। পরিবেশন করার জন্য পোলাও, রুল্যাদ ও কষা গ্রেভি একসঙ্গে সাজিয়ে দিন।

সর্বশেষ সংবাদ

ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।
সকলকে সাজিয়ে তুলতে দিওয়ালির সম্ভার নিয়ে হাজির ডিজাইনার শান্তনু গুহ ঠাকুরতা।
সকালে অন্যরা যখন ঘুমিয়ে পুজোর হুল্লোড়ের স্বপ্ন দেখছে আপনি তখন ঘেমে নেয়ে একাকার।