কালীপুজোয় পাতে থাকুক কালো ভুনা মাংস

রুম্পা দাস
২৫ অক্টোবর, ২০১৬, ১৬:৩১:১২ | শেষ আপডেট: ২৫ অক্টোবর, ২০১৬, ১১:২২:৪০
শরতে যে উৎসবের রেশ শুরু হয়, তা শেষ হতে হতে অন্তত পৌষ মাস। দুর্গাপুজোয় জমিয়া পাঁচ দিন ভূরিভোজ শেষ হতে না হতেই থাকে বিজয়ার পালা। সেটা মিটতেই লক্ষ্মীপুজোর নাড়ু, তক্তি, নিমকি। আর তা গড়াতে না গড়াতেই ধনতেরাস আর কালীপুজো। আর কালীপুজোয় খাওয়া-দাওয়া বলতেই যেটা সবার আগে মাথায় আসে তা হল জমিয়ে মাটন খাওয়ায় গল্প। কালীপুজোর প্রসাদেও নিরামিষ মাংসের প্রাধান্য থাকেই। তাই দ্য সনেট হোটেলের এক্সিকিউটিভ শেফ সুবীর সরকার দীপাবলি স্পেশ্যাল সন্ধান দিলেন খাস তিনটি রেস্তোরাঁসুলভ রেসিপির। চিংড়ি খাওয়ার কোনও অজুহাত হয় না। তাই থাকছে সাবেক লাউ পাতায় চিংড়ি। দীপাবলির সান্ধ্যকালীন আড্ডায় পানীয়ের সঙ্গে সাইড ডিশ হিসেবে জমতে পারে মোরগ মনোহরা। আর পাঁঠার মাংস ছাড়া কালীপুজো অসম্পূর্ণ। তাই থাকছে কালো ভুনা মাংস। শুধুমাত্র আপনাদের জন্য।

মোরগ মনোহরা

উপকরণ:

চিকেন কিমা— ২০০ গ্রাম

চিজ— ৪০ গ্রাম

মাখন— ১৬ গ্রাম

কাঁচা লঙ্কা—১৫ গ্রাম

ধনে পাতা— ২৫ গ্রাম

পুদিনা পাতা— ১০ গ্রাম

পেঁয়াজ— ২৫ গ্রাম

রসুন— ২ গ্রাম

পাতি লেবু— ১টি

নুন— স্বাদ মতো

ব্রেড ক্রাম্ব— ২৫০ গ্রাম

ময়দা— ১৫ গ্রাম

ডিম— ১টি

তেল— ভাজার জন্য

প্রণালী: চিকেনের কিমার সঙ্গে পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা লঙ্কা কুচি, পুদিনা পাতা, রসুন ও নুন মিশিয়ে রাখুন। অন্য একটি বাটিতে চিজ, মাখন, কাঁচা লঙ্কা কুচি, পুদিনা পাতা কুচি, ধনে পাতা কুচি ও পাতি লেবুর রস মিশিয়ে একটি মিহি মিশ্রণ তৈরি করুন। চিজ-মাখনের মিশ্রণ রোলের আকার দিয়ে বাটার পেপারে মুড়ে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখুন। এ বার চিকেন কিমার বল তৈরি করে তার ভিতরে চিজ-মাখনের পুর ভরে দিন। একটি বাটিতে ডিম, ময়দা ও নুন ফেটিয়ে একটি ব্যাটার তৈরি করুন। চিজ-মাখনের পুর ভরা চিকেন কিমার বল প্রথমে ব্যাটারে ডুবিয়ে নিন। পরে বলগুলির গায়ে ব্রেড ক্রাম্ব মাখিয়ে নিন। এ বার পাত্রে তেল গরম করে চিকেন লালচে করে ভেজে তুলুন। লাচ্চা স্যালাড ও কাসুন্দির সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন মোরগ মনোহরা।

Special Recipes For Kali Puja-Ananda Utsav

লাউ পাতায় ভাপা চিংড়ি

উপকরণ:

চিংড়ি— ৩২৫ গ্রাম (এক কিলোয় ১০-১২টি ধরে, এমন মাপের)লাউ পাতা— ৪টি

পোস্ত— ২৫ গ্রাম

কাঁচা লঙ্কা— ৮ গ্রাম

হলুদ গুঁড়ো— ১ চা চামচ

নুন— স্বাদ মতো

সরষের তেল— ৬৫ মিলিগ্রাম

আদা বাটা— ১ চা চামচ

ভাজা জিরে গুঁড়ো— ১ টেবিল চামচ

সরষে বাটা— আধ চা চামচ

ভাত— ১ কাপ

প্রণালী: চিংড়ি খোয়া ছাড়িয়ে ভাল করে ধুয়ে নুন-হলুদ মাখিয়ে রাখুন। লাউ পাতা ঈষদুষ্ণ নুন-জলে ধুয়ে ভাল করে জল মুছে নিন। পোস্ত ও সরষে আলাদা আলাদা করে বেটে নিন। একটি বাটিতে হলুদ গুঁড়ো, পোস্তা বাটা, ভাজা জিরে গুঁড়ো, কাঁচা লঙ্কা বাটা, নুন ও সরষের তেল মিশিয়ে একটি মিহি মিশ্রণ তৈরি করুন। এ বার চিংড়িগুলো ওই মিশ্রণে ম্যারিনেট করে অনন্ত এক ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। তার পর ম্যারিনেট করে রাখা চিংড়িগুলো লাউ পাতায় মুড়ে মিনিট পনেরো ভাপিয়ে নিন। ভাতের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন লাউ পাতায় ভাপা চিংড়ি।Special Recipes For Kali Puja-Ananda Utsav

কালো ভুনা মাংস

উপকরণ:

মাটন— ২৫০ গ্রাম

তেজ পাতা— ১টি

পেঁয়াজ ভাজা— ১ কাপ

কাঁচা পেঁপে বাটা— ১ কাপ

আদা-রসুন বাটা— ২ টেবিল চামচ

হলুদ গুঁড়ো— আধ টেবিল চামচ

লঙ্কা গুঁড়ো— ১ টেবিল চামচ

গরমমশলা গুঁড়ো— ১ টেবিল চামচ

সরষের তেল— ১০০ মিলিগ্রাম

নুন— ১ টেবিল চামচ

ঘি— ১ টেবিল চামচ

কাঁচা লঙ্কা— কয়েকটি

পেঁয়াজ কুচি— আধ কাপ (ছোট ছোট টুকরো করা)

ডার্ক সয়া সস— আধ চা চামচ

সেলেরি বীজ— আধ চা চামচ

প্রণালী: পাত্রে সরষের তেল গরম করে পেঁয়াজ লালচে করে ভেজে তুলে নিন। ওই তেলেই একে একে তেজ পাতা, আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, লাল লঙ্কা গুঁড়ো আর কাঁচা পেঁপে বাটা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। মিনিট দশেক ধরে ওই মশলা ভেজে নিন। এ বার মাটনের টুকরো দিয়ে আরও মিনিট পাঁচেক ভেজে নিন। এ বার নুন, গরমমশলা গুঁড়ো আর ভেজে রাখা পেঁয়াজ দিয়ে দিন। অল্প জল দিয়ে কষতে থাকুন। মাটন সেদ্ধ হয়ে নরম হয়ে এলে ডার্ক সয়া সস। তাতে এ বার সেলেরি বীজ ও হাল্কা করে ভাজা পেঁয়াজের টুকরো দিন। ভুনা মাংস নামিয়ে কাঁচা লঙ্কা ও ভাজা পেঁয়াজ সাজিয়ে দিন। গরম গরম সাদা ফুলকো লুচির সঙ্গে পরিবেশন করুন কালো ভুনা মাংস।

 

 
 

সর্বশেষ সংবাদ

প্রতিমার সিংহ ঘোটক আকৃতির, তিন চালি বিশিষ্ট চালচিত্রকে বলা হয় মঠচৌড়ি
কল্লোলের দুর্গোৎসব ৫৩ বছরে পা দিল
জার্মানিতে এটাই নাকি সবচেয়ে বড় পুজো
বাংলার গন্ধ মাখা স্বাদ
প্রবাসী মন আলো করে আছে আশ্বিনের রোদ্দুর। আকাশের দিকে তাকিয়ে সুর ভাঁজছে, বাজল তোমার আলোর বেণু।
কাফে কলম্বিয়া-র নানান স্পেশাল মেনু সম্পর্কে জানালেন জেনারেল ম্যানেজার অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়।
সকালে ঢাক বাজিয়ে জুরিখ লেকে কলাবৌয়ের স্নান, মণ্ডপে আড্ডা, ভূরিভোজ, সন্ধেয় ধুনুচি নাচ আর অনুষ্ঠান
বাঙালি মানেই যে-কোনও উৎসবে ভুরিভোজ মাস্ট। কলেজের রিইউনিয়ন থেকে ফ্যামিলি গেটটুগেদার, বিয়েবাড়ি থেকে শুরু করে পুজোপার্বণ।