আলোর উত্সবে সাবধান থাকতে বাড়িতে রাখুন এই ওষুধগুলো

প্রমা মিত্র
২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১০:০১:৩২ | শেষ আপডেট: ২৯ অক্টোবর, ২০১৬, ১১:০০:৫৭
diseases

দীপাবলি এসে গেল। সব কিছু ভুলে দু’-দিন আলো, বাজি আর খাওয়া-দাওয়ায় কাটানোর দিন। কিন্তু আবার এই সময়টায়, এই উত্সবে একটু সাবধানও থাকতে হয়। হঠাত্ ঠান্ডা লাগা, বাজির ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্ট, মাথা যন্ত্রণার সমস্যা লেগেই থাকে। আবার অনেক সময় ঘটে যায় ছোটখাট দুর্ঘটনাও। আগে থেকে সাবধান থাকতে তাই বাড়িতে রাখুন কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধ, ফার্স্ট এড। যাতে বিপদ আরও বড় আকার ধারণ না করে।

শ্বাসকষ্ট: মরসুম বদলের কারণে যাদের অ্যাস্থমা রয়েছে তাদের বছরের এই সময়টায় একটু শ্বাসকষ্ট হয়। অন্যদেরও বাজির ধোঁয়ায়, বারুদের গন্ধে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসতে পারে। সব সময় বাড়িতে কর্পূর মজুত রাখুন। শ্বাসকষ্ট হলে কর্পূর, গরম জল শুঁকতে থাকুন, গরম জলের ভাপ নিন। হাঁপানির সমস্যা থাকলে হাতের কাছে ইনহেলার রাখুন।

চোখের ইনফেকশন: বাজির ধোঁয়ায় অনেক সময়ই চোখে ধাঁধা লেগে যায়। আবার এ দিক ও দিক থেকে বাজির টুকরো, আগুনের ফুলকি থেকেও চোখের ক্ষতি হতে পারে। বছরের এই সময়টা কনজাংটিভাইটিসের মতো চোখের ইনফেকশনও হয়। তাই হাতের কাছে আই ড্রপ, অ্যালার্জির ওষুধ, তুলো, ঠান্ডা জল সব সময় রাখুন। 

Keep Thease Meidicines At Home On Diwali-Ananda Utsav

ত্বকের ইনফেকশন: বাজি থেকে অনেক রকম ত্বকের ইনফেকশন হতে পারে। আবার যদি আগে থেকেই বাজিতে অ্যালার্জি থেকে থাকে তাহলে তার থেকেও ত্বকের ইনফেকশন হতে পারে। তাই অ্যালেগ্রা, সেন্ট্রিজিন জাতীয় ওষুধ, হিল্টা ক্যালামিন লোশন হাতের কাছে রাখুন।

কানের সমস্যা: শব্দবাজি নিষিদ্ধ হলেও প্রতি বারই আইন লঙ্ঘন করা হয়। তাই টানা চার দিন ধরে আওয়াজের চোটে কান ফেটে যাওয়ার অবস্থা হয়। হার্ট কমজোরি হলে এই আওয়াজ আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই ইয়ার প্লাগ রাখুন হাতের কাছে। যদি না থাকে কানে তুলো গুঁজে রাখুন। দরজা,জানলা বন্ধ রাখুন।

মাথা যন্ত্রণা: বাজির আওয়াজ, বারুদের গন্ধ অনেকেরই সহ্য হয় না। ক্রমাগত শব্দবাজির আওয়াজ, ধোঁয়া, বারুদের পোড়া গন্ধে মাথা ধরে যাওয়া খুব স্বাভাবিক ঘটনা। তাই মাথা যন্ত্রণার ওষুধ, বাম, এসেনশিয়াল অয়েল, নিজের প্রয়োজন মতো হাতের কাছে রাখুন। 

Keep Thease Meidicines At Home On Diwali-Ananda Utsav

কফ, কাশি: শীত শীত পড়ছে। আবার বৃষ্টিও হচ্ছে। তার ওপর বাইরে বাজি পোড়ানো, প্রদীপ জ্বালানো সব মিলিয়ে বেশ কিছুটা সময় বাড়ির বাইরে বা ছাদে কাটানো হয়। এই সময় বাজির ধোঁয়ায় বায়ুদূষণও হয়। তাই সর্দি, কাশি, কফ, নাক বন্ধ লেগেই থাকে। হাতের কাছে ঠান্ডা লাগা, অ্যালার্জির ওষুধু, ন্যাজাল ড্রপ রাখুন।

অ্যাস্থমা: যদি অ্যাস্থমার সমস্যা থেকে থাকে তাহলে বাজি থেকে দূরে থাকুন। কোনও ভাবেই সন্ধেবেলা বাড়ির বাইরে বেরোবেন না। পারলে ঘরের সব দরজা, জানলা বন্ধ রাখুন। ইনহেলার, ওষুধ সব যেন হাতের কাছেই থাকে। চেষ্টা করুন বাড়িতে একা না থাকতে। যাতে হঠাত্ হাঁপানির টান উঠলে কেউ আপনাকে গরম কফি, ওষুধ, ইনহেলার এগিয়ে দিতে পারেন।

ব্রঙ্কাইটিস: দীপাবলির পর ও দীপাবলির দিন ফুসফুসের সমস্যা হওয়া খুব স্বাভাবিক। যদি ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস বা ফুসফুসের সমস্যা থাকে তাহেল এই সময় খুব সাবধানে থাকুন। এই তিন-দিন নিয়মিত স্টিম ইনহেল করে ফুসফুস পরিষ্কার রাখুন। হাতের কাছে ওষুধ রাখুন। কোনও রকম অসুবিধা হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। 

Keep Thease Meidicines At Home On Diwali-Ananda Utsav

হার্টের সমস্যা: বারুদের গন্ধে নিশ্বাসের সমস্যা, ফুসফুসের সমস্যা থেকে যেমন বুকে ব্যথা হতে পারে, তেমনই কমজোরি হার্ট হলে শব্দবাজির আওয়াজে হঠাত্ চমকে উঠে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তাই বাড়িতে আপত্কালীন ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র রাখুন।

হঠাত্ পুড়ে যাওয়া: খারাপ মানের বাজি ফেটে গিয়ে, পোড়া বাজি থেকে বা প্রদীপ থেকে হঠাত্ আগুন ধরে পুড়ে যাওয়ার ঘটনা কালীপুজোয় ঘটেই থাকে। তাই সব সময় ঘরে ঠান্ডা জল, মেডিকেটেড গজ, পেনকিলার রাখুন।

পেটের সমস্যা: কালীপুজোর খিচুড়ি ভোগ, পাঁঠার মাংস বা দীপাবলির মিষ্টি যাই খান না কেন পেটের সমস্যা হতে পারে। উপরন্তু এটা মরসুম বদলের সময়। তাই পেটের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। হাতের কাছে বদ হজম, পেট খারাপের ওষুধ রাখুন। 

 

সর্বশেষ সংবাদ

ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।
সকলকে সাজিয়ে তুলতে দিওয়ালির সম্ভার নিয়ে হাজির ডিজাইনার শান্তনু গুহ ঠাকুরতা।
সকালে অন্যরা যখন ঘুমিয়ে পুজোর হুল্লোড়ের স্বপ্ন দেখছে আপনি তখন ঘেমে নেয়ে একাকার।
শুধু সল্ট লেক সিটি নয়, সাতশো মাইল দূর থেকেও অনেকে এই পুজো দেখতে এসেছিলেন।