কৃষ্ণনগর রায়বাড়ির পুজো

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ০০:৩১:০৮ | শেষ আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১৯:১২:৪৫

নিঝুম দুপুরে সেখানে ইতিহাস ফিসফিস করে কথা বলে! প্রাচীন ইমারত, স্থাপত্যের দেওয়ালে কান পাতলে শোনা যায় কত না অজানা কাহিনি। কৃষ্ণনগর বলতেই মনে পড়ে মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র আর তাঁর দুর্গোৎসবের কথা। রায় পাড়ায় দিধির ধারে সেই ঔপনিবেশিক স্থাপত্যওয়ালা বাড়িটা আজও পথ চলতি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। পুজোর কয়েক মাস আগে থেকেই বদলে যায় এ পাড়ির পরিচিত পরিবেশ। শুরু হয়ে যায় পুজোর তোরজোড়।

রাজবাড়ির সূত্রেই এ বাড়িতে পুজো শুরু হয়েছিল। মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের দ্বিতীয় পুত্র ভৈরবচন্দ্রের তিন কন্যার বিবাহ হয়েছিল রায়বাড়ির তিনটি পরিবারে। পারিবারিক ইতিহাস অনুসারে তার মধ্যে মেজ তরফের উদ্যোগে পুজো শুরু হয় আনুমানিক ২৫০ বছর আগে।

এ বাড়ির প্রতিমারও কিছু বৈশিষ্ট আছে। হঠাৎ দেখলে রাজবাড়ির রাজরাজেশ্বরীর মতো মনে হলেও, বেশ কিছু পার্থক্য আছে। রায়বাড়ির প্রতিমার দশটি অন্যান্য প্রতিমার মতোই সমান। রাজপরিবারের দুর্গামূর্তিটি যুদ্ধবেশে অবতীর্ণা। তবে রায় বাড়ির প্রতিমার সাজ-সজ্জা কিছুটা ভিন্ন ধরনের। তেমনই রায়বাড়ির প্রতিমার বেশির ভাগ সাজ মাটির। শুধুমাত্র মুকুটটি রাংতার সাজের।

Durga Puja of roy's place in Krishnanagar-Ananda Utsav 2017

এই পরিবারের ওঙ্কার রায় বলছিলেন, ‘‘এখানে বোধন হয় ষষ্ঠীর দিনে। উল্টোরথের দিন হয় কাঠামোপুজো। তার পরেই হয় প্রতিমা মির্মাণের পর্ব। প্রতিমার রঙের কাজ শুরু হয় মহালয়া থেকে। ষষ্ঠীর রাতে পরিবারের সদস্যরা প্রতিমাকে পুজোর বেদিতে তোলেন। একে বলে পাটে তোলা। সপ্তমীর রাতে হয় আর্ধরাত্রি পুজো।’’

 

দশমীতে বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠ মহিলারা প্রতিমাকে বরণ শুরু করেন। আগে পালা করে শরিকদের পুজো হলেও এখন পরিবারের সকলের সহযোগিতায় পুজো হয়ে থাকে। আগে পাঁঠা বলি হলেও, এখন তা বন্ধ। শাক্ত মতে পুজো হয় বলে প্রতিদিন দেবীর ভোগে থাকে না না ধরনের মাছ। দশমীতে দেওয়া হয় পান্তা ভোগ।আগে দোলায় প্রতিমা বিসর্জনে গেলেও এখন যায় ট্রলিতে জলঙ্গী নদীতে। 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।