নবমীর নিশির মন খারাপ নয়, লুটেপুটে নিন শেষবেলার আনন্দ

প্রমা মিত্র
১০ অক্টোবর, ২০১৬, ১৬:৪৫:৩০ | শেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর, ২০১৬, ০৭:৫৭:৫২
নবমীর সকাল হলেই যেন মনটা কেমন খারাপ হতে থাকে। বেলা গড়িয়ে যতই বিকেল হতে থাকে ততই গভীর হতে থাকে মন খারাপ। আর সন্ধের পর থেকে ঢাকের আওয়াজেও যেন বিষাদের সুর। তবে তা বলে শেষবেলার আনন্দটুকু যেন হারিয়ে ফেলবেন না। নিজেকে চিয়ার আপ করুন।
নবমীর রাতটা এলেই মনে হতে থাকে আজই পুজো শেষ। কাল ভাসান হলেই আবার সেই একঘেয়ে জীবনে ফেরা। এই ধরনের ভাবনা মনে এলেই দূরে সরিয়ে দিন। সময় কেটেও যাবে, আবার জীবনের রুটিনে ফিরতেও হবে। কিন্তু তার জন্য ভেবে পুজোর শেষবেলার সময়টুকু মাটি হতে দেবেন না। আনন্দ করায় মন দিন।
আর মাত্র এক দিন ছুটি। তারপরই অফিস। আবার অফিস যেতে হবে ভাবলেই মুড অফ হয়ে যায়। আর নবমীর রাতে না চাইতেও মনে আসে এই চিন্তা। অফিসের চিন্তা মাথায় এলেই অন্য দিকে মন ঘুরিয়ে দিন। পারলে এই সময়টা অফিসের কারও ফোন ধরবেন না, কারও সঙ্গে ফেসবুকেও যোগাযোগ করবেন না। সেই সহকর্মী আপনার যতই প্রিয় হোক না কেন।
 
কালো রঙের শাড়ি বা পোশাক নবমীর রাতে পরবেন না। এতে যতই সাজুন না কেন মন কিছুটা বিষাদগ্রস্ত হবেই। উজ্জ্বল রঙের শাড়ি বা পোশাক পরুন। উজ্জ্বল গোলাপি বা লাল সবচেয়ে ভাল লাগবে দেখতে। সুন্দর হালকা গোলাপি বা হালকা নীল রঙের শাড়ির সঙ্গেও মুক্তোর গয়না পরে সুন্দর করে সাজতে পারেন। যাই পরুন না কেন সুন্দর করে সাজুন। যাতে নিজেকে আয়নায় দেখে সুন্দর লাগে। দেখতে সুন্দর লাগলে মনও ভাল লাগবে।
এই দিনটা চেষ্টা করুন এমন ভাবে কাটাতে যাতে এই রাতটা আপনার সুখস্মৃতি হয়ে থাকে। সবচেয়ে কাছের মানুষদের সঙ্গে কাটান, নিজের সবচেয়ে পছন্দের রেস্তোরাঁয় খেতে যান, সবচেয়ে পছন্দের পোশাকটা পরুন। যাতে এর পরেও এই বছরের নবমী নিশির কথা ভাবলে আপনার মনটা খুশিতে ভরে ওঠে। এটা প্রতি বছরই করুন। যাতে নবমী নিশি মানেই বিষাদ এই চিন্তা মন থেকে মুছে যায়।
 
সারা বছর কাজের চাপে পরিবারকে সময় দিতে না পারার আক্ষেপ সকলের মনেই থাকে। পুজোর সময়ও বন্ধু-বান্ধব, এটা-সেটা মিলিয়ে হয়তো পরিবারকে অতটাও সময় দিতে পারেন না। নবমী নিশিটা তাই রাখুন এক্সক্লুসিভলি পরিবারের সঙ্গে কাটানোর জন্য। শেষবেলাটা পরিবারের সঙ্গে কাটালে দেখবেন পুজো চলে গেলেও মন খারাপ হবে না।
ছবি: সংগৃহীত।
 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।