কেন আমরা লক্ষ্মী পুজো করি

পার্থপ্রতিম আচার্য
০৪ অক্টোবর, ২০১৭, ১৫:১১:০৮ | শেষ আপডেট: ০৪ অক্টোবর, ২০১৭, ০৯:৫২:২৫
বর্তমানে মানুষের মন থেকে দয়া-মায়া লুপ্ত হয়ে গিয়েছে। অপরাধ ও অপরাধীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে। এই গভীর অন্ধকারের মধ্যেও একটা আশার ক্ষীণ আলোক শিখা এখনও লুকিয়ে আছে। তার ফলে অসংখ্য অনাচার ও অত্যাচারের মধ্যেও কিছু সৎ লোক এখনও মাথা উঁচু করে বেঁচে আছে। যাদের মধ্যে সদাচার, ভজন, কীর্তন, দেব-দ্বিজের সেবা, ভক্তি-শ্রদ্ধা এখনও দেখা যায়। এখনও অনেক মানুষ ধর্মকর্মে প্রবৃত্ত হতে চায়। কিন্তু বিভ্রান্ত হয়। প্রতিনিয়ত সংসারের নানা সমস্যায় জর্জরিত মানুষ আজ সমাধানের পথ খুঁজছে। মা লক্ষ্মী সেই পথের দিশা দেখাতে পারে।
মহালক্ষ্মীর পুজোপাঠে ধন, মান, যশের সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক সুস্থতাও আসে।

মা মহালক্ষ্মীকে দেখা যায় কর্দম থেকে উত্থিত পদ্মের উপরে বসে আছেন। যা আধ্যাত্মিক পবিত্রতা ও অনাশক্তির প্রতীক। মা লক্ষ্মীর হাতের প্রহরণ শুভশক্তির প্রতীক, অশুভশক্তির বিনাশ করার জন্য। দেবী মা লক্ষ্মীকে প্রাণ, মন দিয়ে প্রার্থণা করলে মহাশক্তি স্বরূপিনী সকলের সর্ব প্রকার কল্যাণ ও মঙ্গল বিধান করেন।

মহালক্ষ্মীর পুজোপাঠে ধন, মান, যশের সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক সুস্থতাও আসে। বৃহস্পতি হল শুভ গ্রহ। এই বৃহস্পতিবার মা লক্ষ্মীর আরাধনা করলে সকল দুঃখ দূর হয়। আর্থিক সমস্যারও সমাধান হয়। যদি কোনও বৃহস্পতিবার পূর্ণিমা হয়( বর্তমান বর্ষ) তবে সেই দিন কোনও রমণী উপবাসে থেকে লক্ষ্মীমাতার পুজো করলে ধন-সম্পদে গৃহে পূর্ণ হয়, এবং সকল সমস্যার সমাধান হয়। শরৎকালে কোজাগরী লোক্ষ্মীপুজোর দিন মা থাকেন জাগ্রত। সে দিন মায়ের পুজো, স্তব ও দ্বাদশ নাম পাঠ করলে মায়ের আশীর্বাদ পাওয়া যায়।

Reason Behind Worshiping Laxmi- Ananda Utsav 2017

মা লক্ষ্মীর শ্রীযন্ত্রম পুজো করলেও সুখ-শান্তি, সম্পত্তি লাভ করা যায়। যদি কেউ শ্রীযন্ত্রম পুজো করতে চায় তবে কোনও বিদ্বান ব্রাহ্মণকে এনে যথাসাধ্য উপাচারে শ্রীযন্ত্রমের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে পুজো করতে হবে। এই মহালক্ষ্মীর যন্ত্রম নিত্য দর্শন করলেও লক্ষ্মী প্রাপ্তি হয়।

শরৎ কালে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন শুদ্ধ বসনে মাতার আরাধনা করলে লটারিতে অর্থ লাভ হয়, ব্যবসায় উন্নতি হয়। মনো মতো চাকরি লাভহয়। সুখ-সমৃদ্ধি লাভ হয় এবং শরীর স্বাস্থ্য ভালও থাকে। মা লক্ষ্মীর বার হিসেবে বৃহস্পতিবারকে মান্য করা হয়। বৃহস্পতির উন্নতির জন্য হলুদ পোখরাজ, হলুদ সুতো হাতে ধারণ করা হয়। 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।