লক্ষ্মী পুজোয় ঘরে আনুন পেঁচা

মধুবন্তী রক্ষিত
১৩ অক্টোবর, ২০১৬, ১৩:১১:২৮ | শেষ আপডেট: ১৪ অক্টোবর, ২০১৬, ০৪:৫৮:০৭
owl

দু’দিন বাদেই লক্ষ্মী পুজো। বাড়িতে পুজো হলে নিশ্চয়ই আত্মীয়-স্বজনের সমাগমও হয় সেই দিনটায়। তাই পুজোর দিন সাজিয়ে তুলুন আপনার বাড়িটাকেও। উপলক্ষ যে হেতু লক্ষ্মী পুজো তাই গৃহসজ্জার থিমে থাকুক লক্ষ্মীর বাহন পেঁচা।

কাজের চাপ, সময়ের অভাবে মা, ঠাকুমাদের মতো ইচ্ছা থাকলেও খড়ি দিয়ে আলপনা দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। কিন্ত এতে টেনসন নেওয়ার কোনও কারণ নেই। দোকানে দোকানে কিনতে পাওয়া যায় আলপনা স্টিকার। বাড়ির মেঝেতে লাগিয়ে দিলে কেউ বুঝতেও পারবেন না আঁকা না স্টিকার। পছন্দসই ডিজাইন বেছে নিন। যে হেতু থিম রাখছেন পেঁচা তাই আলপনার ডিজাইনও মানানসই বেছে নিন। সঙ্গে রাখতে পারেন লক্ষ্মীর পায়ের মোটিফ।

Special Article On Home Decor For Laxmi Puja-Ananda Utsav

যে কোনও হস্তশিল্প মেলাতেই দেখা যায় কাঠের তৈরি পেঁচার পরিবার। বড় থেকে ছোট, নানা সাইজের সব রকম ডিজাইনের পেঁচা পাওয়া যায়। নিজের রুচি অনুযায়ী পেঁচার পরিবার সকলেই কোনও না কোনও সময় কিনেছেন। সেগুলো বের করে ঝেড়ে, মুছে শো কেস বা দেওয়াল র‌্যাকে সাজিয়ে রাখুন। এই সব উজ্জ্বল রঙের পেঁচার আপনার ঘরকে করে তুলবে আকর্ষক।

নিজের ঘর সাজানোর সামগ্রীর মধ্যে খুঁজে দেখুন পেঁচা ডিজাইনের কোনও শো পিস আছে কিনা। থাকলে সেগুলোও এ দিন সাজিয়ে ফেলুন সুন্দর করে। লম্বা হারের সঙ্গে পেঁচা পেন্ডেন্ট এখন ফ্যাশনে খুবই ট্রেন্ড করছে। এই দিনের জন্য ঘরের কোনও দেওয়ালে থাকা পেন্টিং বা ওয়াল হ্যাঙ্গিং সরিয়ে দিতে পারেন এমনই একটা লম্বা চেন। যদি আপনার কাছে এমন হার না থাকে তাহলে গড়িয়াহাটের ফুটপাথ বা যে কোনও দোকানে সস্তায় পেয়ে যাবেন। ঘরের পর্দা গোছা করেও এই চেন দিয়ে বেঁধে দিতে পারেন। পেঁচার পেন্ডেন্টটা রাখুন সামনের দিকে। সুন্দর লাগবে দেখতে।Special Article On Home Decor For Laxmi Puja-Ananda Utsav

 

যদি পেন্টিংয়ের শখ থাকে তাহলে সেখানেও রাখতে পারেন পেঁচার ছোঁয়া। তবে মাথায় রাখুন আপনার উদ্দেশ্য হল ঘর সাজানো। পেঁচার থিমে সাজাতে গিয়ে খেয়াল রাখুন আপনার ঘর যেন বায়লজির ক্লাসরুম মনে না হয়। একটু খুঁজে দেখলে পেয়ে যাবেন বিভিন্ন রকম অ্যাবস্ট্রাক্ট পেন্টিং।

যদি বেশি খরচা করতে না চান তাহলে ইন্টারনেট থেকে খুঁজে প্রিন্ট করে ফ্রেমে বসিয়ে ঘর সাজাতে পারেন। ইউটিউবে সহজে ফ্রেম করার অনেক টিউটোরিয়াল ভিডিও পেয়ে যাবেন। বাড়ির কচিকাঁচাদের লাগিয়ে দিন কাজে। ওরাও ব্যস্ত থাকবে, আপনার কাজও হয়ে যাবে। বাড়ির সোফার কুশন কভার, পর্দা, বেড কভার, বেড শিট, টেবিল কভার সব কিছুতেই এ দিন থাকতে পারেন পেঁচার প্রিন্ট। যদি আপনার কাছে এ রকম প্রিন্টের এ সব জিনিস থেকে থাকে তাহলে এ দিন সেগুলো পেতে নিন। যদি না থাকে তাহলে কিনে নিতে পারেন। এখনও দু’দিন সময় আছে হাতে।

ঘরের এক কোনায় রাখতে পারেন পেঁচার মূর্তি। সঙ্গে থাকুক ফুলদানিতে ধানের ছড়া। লক্ষ্মী পুজোতে শুধুই পেঁচা কেন্দ্রিক নয়। তাই বসার ঘরের সেন্টার টেবিলে থালায় সাজিয়ে রাখতে পারেন ধানের ছড়া, লক্ষ্মীর ঝাঁপি , কয়েকটা কড়ি।

 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।