হাত বাড়ালেই আকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ২২:১৩:০৮ | শেষ আপডেট: ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১৬:৫৭:৩৮

ক্যানিং স্ট্রিটে ফানুসের পসরা

উত্তর কলকাতার বাবুয়ানা

ফানুস দৃশ্য উত্তর কলকাতায়

উত্তর কলকাতার দত্ত বাড়িতে...

দত্ত বাড়ির ফানুস 'কারখানা'

পুজোর ফানুস...

টালা পার্কের বাজির বাজার

কালীঘাটে ফানুস নিয়ে আনন্দে মাতোয়ারা।

বাঁশদ্রোণীতে ফানুস তৈরি...

 
সে দিন গিয়েছে চলে...সত্যিই কি সে দিনের সবটুকুই গিয়েছে? দীপাবলির প্রাক মুহূর্ত কিন্তু সে কথা বলছে না। কলকাতার বনেদি বাড়িগুলিতে ফানুস বানানোর তৎপরতা মনে করিয়ে দিচ্ছে পুরনো সে সব দিনের কথা। ছাদ থেকে উড়ে যাচ্ছে ফানুস, অনিশ্চিতের চিঠি নিয়ে। ছাদে বসে তা প্রত্যক্ষ করছেন বাড়ির ও বাইরের বহু মানুষ। ফানুসের জনপ্রিয়তাও যে বাড়ছে তারও প্রমাণ মিলেছে এ বারের বাজির বাজার ঘুরেও। সব মিলিয়ে এ-কাল সে-কালের মেলবন্ধন ধরা পড়ল দেশকল্যাণ চৌধুরী, সুদীপ্ত ভৌমিক ও শৌভিক দে-র ক্যামেরায়।

সর্বশেষ সংবাদ

ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।
সকলকে সাজিয়ে তুলতে দিওয়ালির সম্ভার নিয়ে হাজির ডিজাইনার শান্তনু গুহ ঠাকুরতা।
সকালে অন্যরা যখন ঘুমিয়ে পুজোর হুল্লোড়ের স্বপ্ন দেখছে আপনি তখন ঘেমে নেয়ে একাকার।
শুধু সল্ট লেক সিটি নয়, সাতশো মাইল দূর থেকেও অনেকে এই পুজো দেখতে এসেছিলেন।