জমে উঠেছে বাজির বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদন
দীপাবলি মানেই বাজির উৎসব। আকাশে আলোর আলপনা আঁকার প্রতিযোগিতা। সারা বছর যার যেটুকু রোজগারই হোক না কেন, উৎসবের দিনগুলোয় বাজি পুড়িয়ে মজা করতে পিছিয়ে থাকে না কোনও শ্রেণির মানুষই। বাজির তৈরির নানা মুহূর্ত...শশাঙ্ক মন্ডলের ক্যামেরায়।

বাজি বাছাই।

চলছে তুবড়িতে মশলা ভর্তির কাজ।

বাজি তৈরিতে রয়েছে ঝুঁকিও।

কাজ চলছে জোরদার।

অনেকদিন আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় বাজি তৈরির কাজ।

রংবাহারি তুবড়ি তৈরির ব্যস্ততা।

বাজির পসরা সাজিয়ে...

হাতে হাতে...

বাজি শিল্পী।

বাজি কিনতে হাজির।

 
কার্তিকপুজো, ভাইফোঁটা, জগদ্ধাত্রী পুজোয় ঠাসা নভেম্বরের ক্যালেন্ডারের দিকেই তাকালে মন ভাল হয়ে যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটির মানুষদের। তার উপর বিয়েও পড়েছে বেশ কয়েকটা। বাজি বানিয়ে বাজিমাত করেছে এই এলাকার মানুষ। সাবেকি চরকি, রং মশাল, আনারকলি, তুবড়ির মতো বাজিরও এবার দারুণ চাহিদা‌। এরই সঙ্গে চাহিদা বেড়েছে নতুন ধরনের বাজির। আর বাজারের চাহিদা মেনে নতুন ধরনের বাজির তৈরিতে মন দিয়েছেন বাজি কারিগরেরা।
আলোর উৎসব আরও রঙিন করতে এখানকার বাজির খ্যাতি আছে। বৈশিষ্ট্য দামে অনকটাই সস্তা। আর রং-এ বাহারি। আতসবাজির হাত ধরে চম্পাহাটির হাড়াল ও অন্যান্য গ্রামগুলির প্রায় তিরিশ হাজার মানুষ বাঁচার পথ খুঁজে পেয়েছেন।  

সর্বশেষ সংবাদ

ভাইকে এ বছর ভাইফোঁটাতে কী দেবেন ভেবেছেন? চলুন দেখি কিছু উপহারের নমুনা।
থাকছে অসংখ্য সিসি ক্যামেরার নজরদারি।
আজ কালীপুজো। দীপাবলির আলোয় সেজেছে চারিদিক।
শুধু কালীঘাট কিংবা দক্ষিণেশ্বর নয়। এ শহরে ছড়িয়ে রয়েছে ছোট বড় অসংখ্য কালীমন্দির।
বাজি পোড়ানোর সময় কিছু সাবধানতা নিতে বললেন চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা নন্দিনী রায় ও চেষ্ট ফিজিশিয়ান ডা সুস্মিতা রায়চৌধুরি।
মোমপ্রদীপ ও ফ্যান্সি প্রদীপের চাহিদা
শিল্পী মগ্ন হয়ে দেখতে থাকেন নিজের সৃষ্টি
মায়ের হাতের বুঁদিয়া-ভুজিয়া, বন্ধু হাসিনা-কাকলিদের সঙ্গে হুটোপাটির স্মৃতিতে বুঁদ হন কলকাতার বড়বাড়ির বধূ।