জমে উঠেছে বাজির বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৪ অক্টোবর, ২০১৬, ১৮:০৫:৫২ | শেষ আপডেট: ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১৬:৫৫:২৩
দীপাবলি মানেই বাজির উৎসব। আকাশে আলোর আলপনা আঁকার প্রতিযোগিতা। সারা বছর যার যেটুকু রোজগারই হোক না কেন, উৎসবের দিনগুলোয় বাজি পুড়িয়ে মজা করতে পিছিয়ে থাকে না কোনও শ্রেণির মানুষই। বাজির তৈরির নানা মুহূর্ত...শশাঙ্ক মন্ডলের ক্যামেরায়।

বাজি বাছাই।

চলছে তুবড়িতে মশলা ভর্তির কাজ।

বাজি তৈরিতে রয়েছে ঝুঁকিও।

কাজ চলছে জোরদার।

অনেকদিন আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় বাজি তৈরির কাজ।

রংবাহারি তুবড়ি তৈরির ব্যস্ততা।

বাজির পসরা সাজিয়ে...

হাতে হাতে...

বাজি শিল্পী।

বাজি কিনতে হাজির।

 
কার্তিকপুজো, ভাইফোঁটা, জগদ্ধাত্রী পুজোয় ঠাসা নভেম্বরের ক্যালেন্ডারের দিকেই তাকালে মন ভাল হয়ে যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটির মানুষদের। তার উপর বিয়েও পড়েছে বেশ কয়েকটা। বাজি বানিয়ে বাজিমাত করেছে এই এলাকার মানুষ। সাবেকি চরকি, রং মশাল, আনারকলি, তুবড়ির মতো বাজিরও এবার দারুণ চাহিদা‌। এরই সঙ্গে চাহিদা বেড়েছে নতুন ধরনের বাজির। আর বাজারের চাহিদা মেনে নতুন ধরনের বাজির তৈরিতে মন দিয়েছেন বাজি কারিগরেরা।
আলোর উৎসব আরও রঙিন করতে এখানকার বাজির খ্যাতি আছে। বৈশিষ্ট্য দামে অনকটাই সস্তা। আর রং-এ বাহারি। আতসবাজির হাত ধরে চম্পাহাটির হাড়াল ও অন্যান্য গ্রামগুলির প্রায় তিরিশ হাজার মানুষ বাঁচার পথ খুঁজে পেয়েছেন।  

সর্বশেষ সংবাদ

আম বাঙালি স্নিকারকে যদি আপন করে নিতে পারতেন, তা হলে পায়ের বা কোমরের সমস্যা বোধহয় অনেকটাই কমে যেত।
ছোটবেলায় যে লেনগুলোয় দুষ্টুমি করতাম, এখন বান্ধবীর কাছে সে সব নিয়ে গল্প করা যায়।
পুজোয় নতুন জামার সঙ্গে নতুন জুতো কিন্তু মাস্ট। আর জুতো তো হাল ফ্যাশনের হতেই হবে।
প্রতিমার সিংহ ঘোটক আকৃতির, তিন চালি বিশিষ্ট চালচিত্রকে বলা হয় মঠচৌড়ি
কল্লোলের দুর্গোৎসব ৫৩ বছরে পা দিল
জার্মানিতে এটাই নাকি সবচেয়ে বড় পুজো
বাংলার গন্ধ মাখা স্বাদ
প্রবাসী মন আলো করে আছে আশ্বিনের রোদ্দুর। আকাশের দিকে তাকিয়ে সুর ভাঁজছে, বাজল তোমার আলোর বেণু।