দক্ষিণ কলকাতার নানা মণ্ডপের ঝলক

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬, ১৮:৩৫:৩৩ | শেষ আপডেট: ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১৬:৫৫:২৩
পাল্টে যাচ্ছে চিরচেনা পাড়াগুলোর চেহারা, বদলে যাচ্ছে চারপাশ। বারোয়ারি পুজো তার থিমে, তার ভাবনায়, তার আঙ্গিকে প্রতি বছরই ভিন্ন মাত্রা পায়। উত্সবের নানা মুহূর্ত স্বাতী চক্রবর্তী ও শশাঙ্ক মণ্ডলের ক্যামেরায়।

উত্তর কলকাতা টেক্কা মেরে বেরিয়ে যাবে? এতই সস্তা? ‘লড়কে লেঙ্গে...’। এককথায় এটাই দক্ষিণ কলকাতার বড়-মেজ-সেজ পুজোর কর্মকর্তাদের মনোভাব! বলতে গেলে, সব ক’টা পুজো কমিটির অফিসঘরই এখন এক একটা ‘ওয়ার রুম’! সারা ক্ষণ প্ল্যান ভাঁজা হচ্ছে, কী ভাবে কাকে কোন জায়গা থেকে টেক্কা দেওয়া যায়! ইটের টুকরো, চাটাই, বাঁশের উপর কারুকাজ, মণ্ডপের আশপাশের বাড়ির চেহারা পাল্টে দেওয়া— কী নেই! আবহ খুব দ্রুত বদলাচ্ছে। পাল্টে যাচ্ছে চিরচেনা পাড়াগুলোর চেহারা, বদলে যাচ্ছে চারপাশ। বারোয়ারি পুজো তার থিমে, তার ভাবনায়, তার আঙ্গিকে প্রতি বছরই ভিন্ন মাত্রা পায়। নানা সংস্থার প্রতিযোগিতায় সেরার শিরোপা টানতে জীবনপাত করে ফেলছেন উদ্যোক্তারা। পুজো এল মানেই তৎপরতা তুঙ্গে মণ্ডপশিল্পীদেরও। সাদামাটা মণ্ডপ নির্মাণের যুগ গিয়েছে। এখন রাজত্ব থিমের। সে থিমের তল পাওয়া মুশকিল। এ বলে আমায় দেখ তো ও বলে আমায়! সে থিম এক্কেবারে ‘পেটেন্ট নেওয়া’! এ বারের এই গ্যালারিতে প্রাথমিক ভাবে বেছে নেওয়া হয়েছে দক্ষিণ কলকাতার কয়েকটি পুজোর মণ্ডপ নির্মাণের ফ্রেম।

 

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।