চোখের জলে বিদায় উমাকে

নিজস্ব প্রতিবেদন
১১ অক্টোবর, ২০১৬, ২১:০৮:০৫ | শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল, ২০১৭, ০৯:৩৩:২৬

এই কয়েককটা দিন যাকে নিয়ে এত মাতামাতি, আজ সেই ত্রিনয়নী পিত্রালয় ছেড়ে চলে যাবেন কৈলাশে। বুকের মাঝে কে যেন বলে বেড়াচ্ছে মন ভাল নেই। বরণ ডালা সাজিয়ে, সিঁথির সিঁদুরে রাঙিয়ে আজ তাঁকে বিদায় জানাতেই হয়। সিঁদুরে মাখামাখি গৃহবধূ উমার কাছে প্রার্থনা করেন স্বামী-সন্তানের সুখের জন্য। জমে ওঠে সিঁদুর খেলা। প্রশাসনের নিয়ম মেনে আজ শুধু বাড়ির প্রতিমা বিসর্জন। ঠাকুরদালান শূন্য করে উমার যখন জলে ভেসে যাচ্ছেন, তখন সবার চোখে জল। এ যেন যাওয়ার আগে রাঙিয়ে দিয়ে যাওয়ার খেলা। দশমীর ঢাকে বিসর্জনের সুর।মুখে হাসি আর চোখে জল নিয়ে টুকটুকে লাল সিঁদুরে চলছে দেবীবরণ। সেই রঙ বুকে নিয়ে পরের বারের জন্য শুরু হল প্রতীক্ষা। আসছে বছর আবার হবে ।

 

সর্বশেষ সংবাদ

আম বাঙালি স্নিকারকে যদি আপন করে নিতে পারতেন, তা হলে পায়ের বা কোমরের সমস্যা বোধহয় অনেকটাই কমে যেত।
ছোটবেলায় যে লেনগুলোয় দুষ্টুমি করতাম, এখন বান্ধবীর কাছে সে সব নিয়ে গল্প করা যায়।
পুজোয় নতুন জামার সঙ্গে নতুন জুতো কিন্তু মাস্ট। আর জুতো তো হাল ফ্যাশনের হতেই হবে।
প্রতিমার সিংহ ঘোটক আকৃতির, তিন চালি বিশিষ্ট চালচিত্রকে বলা হয় মঠচৌড়ি
কল্লোলের দুর্গোৎসব ৫৩ বছরে পা দিল
জার্মানিতে এটাই নাকি সবচেয়ে বড় পুজো
বাংলার গন্ধ মাখা স্বাদ
প্রবাসী মন আলো করে আছে আশ্বিনের রোদ্দুর। আকাশের দিকে তাকিয়ে সুর ভাঁজছে, বাজল তোমার আলোর বেণু।