কলকাতার কালী মন্দির

বিভূতিসুন্দর ভট্টাচার্য
লায় কালীপুজোর ইতিহাস বহু প্রাচীন। তবে আজকের মতো অতীতে দেবীকালী ঘরে ঘরে পূজিত হতেন না। তাঁর পুজো হতো শ্মশানে, তেমাথায় কিংবা মন্দিরে। তাও আবার যন্ত্রে কিংবা ঘটে-পটে। শোনা যায়, ষোড়শ শতকে নবদ্বীপের প্রসিদ্ধ তন্ত্রসাধক কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ প্রথম কালীমূর্তি গড়ে পুজোর প্রচলণ করেছিলেন। তার পরবর্তী কালে নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের আমলে কার্তিকী অমাবস্যায় কালীপুজোর ব্যাপক প্রসার ঘটেছিল। পরবর্তী কালে রামপ্রসাদ সেন, শ্রীরামকৃষ্ণ, বামাখ্যাপা কিংবা কমলাকান্তের ভক্তিরসের প্রভাবেই শ্মশানবাসিনী কালীর প্রবেশ ঘটেছিল বাঙালির ঘরে।
kali
নিজস্ব চিত্র

করুণাময়ী কালী (টালিগঞ্জ) বড়িশা সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবারের নন্দদুলাল রায়চৌধুরী তাঁর অকালপ্রয়াতা মেয়ে করুণা-র স্মৃতিতে ১৭৬০ সালে পশ্চিম পুঁটিয়ারি অঞ্চলে দ্বাদশ শিবমন্দির-সহ একটি কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মেয়ের নামেই বিগ্রহের নামকরণ করা হয় করুণাময়ী। একটি কষ্টিপাথর কেটে বিগ্রহটি তৈরি করা হয়েছিল, তাই দেবীর পদতলের শিব মূর্তিটিও কষ্টিপাথরের। দেবীর বিগ্রহ পঞ্চমুণ্ডির আসনের উপর প্রতিষ্ঠিত। কালীপুজোর সময় দেবীকে বিশেষ ভাবে সাজানো হয়। পুজো হয় ষোড়শোপচারে। হয় কুমারী পুজোও। কালীপুজোর বিশেষ ভোগে থাকে খিচুড়ি, সাদা ভাত, মোচার ঘন্ট, এঁচোড়ের ডালনা, লুচি ছোলার ডাল, পোলাও, নানা রকমের তরকারি, দশ রকমের মাছ, চাটনি, পায়েস। 

Special Articles On Kali Temples Of Kolkata-Ananda Utsav

সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির (বেহালা) মন্দিরটির অবস্থান বেহালা ট্রাম ডিপোর পাশে। শোনা যায়, ১১৭০ বঙ্গাব্দের ১২ জ্যৈষ্ঠ ফলহারিণী কালীপুজোর দিন ডায়মন্ড হারবার রোডের এই মন্দিরে দেবীর বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখানে সাড়ম্বরে দীপান্বিতা কালীপুজো হয়। এ ছাড়াও রটন্তীকালী ও ফলহারিণী কালীপুজো হয়। 

নিস্তারিণী কালী (বেথুন রো) নানেদের কালী মন্দির বলে পরিচিত হলেও এর নেপথ্যে রয়েছে একটি কাহিনি। সিমলা অঞ্চলে অবস্থাপন্ন ব্যক্তি কৃষ্ণচন্দ্র সিংহ দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী বিগ্রহের আদলে বারাণসী থেকে নিস্তারিণীর বিগ্রহ তৈরি করিয়ে আনলেও নানা কারণে শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠা করতে না পারায়, তাঁর প্রতিবেশী ঈশ্বরচন্দ্র নানের কাছে বিগ্রহটি হস্তান্তর করেছিলেন। পরে ঈশ্বরচন্দ্র নবরত্ন মন্দির তৈরি করে ১৮৬৫ সালে রথযাত্রার দিনে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। 

Special Articles On Kali Temples Of Kolkata-Ananda Utsav

দয়াময়ী কালী (কলেজ স্কোয়্যার)— ১৭৭১ সালে জগদ্ধাত্রী পুজোর দিনে গুরুপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় কলেজ স্কোয়্যারের কাছে রাধানাথ মল্লিক লেনে দালান রীতির এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেবীর বিগ্রহটি কষ্টিপাথরের তৈরি। প্রায় দু’ফুট উচ্চতার দেবীমূর্তি কাঠের সিংহাসনের উপর অধিষ্ঠিত। দীপান্বিতা কালীপুজোয় আজও অসংখ্য ভক্তসমাগম হয়। 

Special Articles On Kali Temples Of Kolkata-Ananda Utsav

সিদ্ধেশ্বরী কালী (ঠনঠনিয়া) সে কালে ডাকাতদের হাত থেকে বাঁচতে স্থানীয়েরা একটি ঘণ্টা বেঁধে দিয়েছিলেন। দূর থেকে ডাকাতদল আসছে দেখলেই ওই ঘণ্টা বাজিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হতো এলাকার মানুষকে। সে দিনের সেই অঞ্চল আজকের ঠনঠনে এলাকা। জনশ্রুতি, ঠনঠন করে সেই ঘণ্টা বাজত বলেই এলাকার নামকরণ হয়েছিল ঠনঠনে। বহু যুগ আগে সেখানেই উদয়নারায়ণ ব্রহ্মচারী নামে এক তান্ত্রিক সন্ন্যাসী একটি উঁচু মাটির ঢিপির উপর চালাঘরে পঞ্চমুণ্ডির আসন প্রতিষ্ঠা করে কালীসাধনা করতেন।

কাছেই বাহির সিমলা অঞ্চলে থাকতেন রামশঙ্কর ঘোষ, যিনি পরবর্তী কালে শঙ্কর ঘোষ নামে পরিচিত হন। তিনি ছিলেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বেনিয়ান। শোনা যায়, তাঁর সঙ্গে উদয়নারায়ণ ব্রহ্মচারীর যোগাযোগ ছিল। পরে উদয়নারায়ণ কাশী যাওয়ার আগে শঙ্কর ঘোষকে দেবীর দায়িত্ব দিয়ে যান। শঙ্কর ঘোষ সেখানেই পঞ্চমুণ্ডির আসনের উপর কালীমূর্তি ও ঘট প্রতিষ্ঠা করে একটি মন্দির তৈরি করিয়েছিলেন যা কিনা কালক্রমে হয়ে উঠল ঠনঠনের প্রসিদ্ধ সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির। মন্দিরের গায়ের ফলকে দেখা যায় বাংলার ১১১০ সনে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল।কিন্তু এ নিয়ে মতান্তর রয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শঙ্কর ঘোষ মন্দিরের প্রধান সেবায়েত হলেও পুজোর সঙ্কল্প হত উদয়নারায়ণ ব্রহ্মচারীর নামে। সাবেক রীতি মেনে এখনও তেমনটাই হয়ে আসছে।

মন্দির সূত্রে জানা গেল, দীপান্বিতা কালীপুজোর তোড়জোড় শুরু হয়ে যায় কৃষ্ণপক্ষের পঞ্চমী থেকেই। তখন দেবীর বিগ্রহের অঙ্গরাগ করা হয়। ত্রয়োদশীর দিন তাঁকে পঞ্চমুণ্ডির আসনে প্রতিষ্ঠা করা হয়। সে দিন স্নান করিয়ে রাতে পরানো হয় লালপেড়ে সাদাশাড়ি। একে বলে ‘কুমারী বেশ’। কালীপুজোর দিন পরানো হয় বেনারসি শাড়ি। এ ছাড়া বছরভর দেবীকে পরানো হয় ভক্তদের দেওয়া নানা ধরনের শাড়ি। ছাপা শাড়ি থেকে শুরু করে সেই তালিকায় থাকে ঢাকাই, কাঞ্জিভরম, তাঁতের শাড়ি সবই। আর একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দেবীর বেশির ভাগ গয়না রুপোর, শুধু জিভটি সোনার তৈরি। দেবীর গলায় শোভা পায় ৪১টি রুপোর মুণ্ডমালা। মন্দিরে অন্নভোগ না হলেও কালীপুজোর বিশেষ ভোগে দেওয়া হয় লুচি, আলু-পটল ভাজা, আলুর দম, ধোঁকার ডালনা ও নানা ধরনের মিষ্টি। আজও ভক্তদের মানতের বলিদান হয় এখানে।কার্তিক মাসের অমাবস্যায় বিশেষ পুজো ছাড়াও মাঘ মাসে রটন্তী কালী ও জ্যৈষ্ঠ মাসে ফলহারিণী কালীপুজো হয়। এই মন্দিরে এসেছেন শ্রীরামকৃষ্ণ, সাধক কবি রামপ্রসাদ সেন, কমলাকান্ত চক্রবর্তী প্রমুখ সাধক।  

Special Articles On Kali Temples Of Kolkata-Ananda Utsav

সিদ্ধেশ্বরী কালী (কুমোরটুলি-বাগবাজার) বহু বছর আগে কুমোরটুলি অঞ্চলে কালীবর তপস্বী নামের এক সন্ন্যাসী হোগলা পাতার ছাউনির নীচে এই মূর্তি তৈরি করে পুজো করতেন। পরে কুমোরটুলির গোবিন্দরাম মিত্রের পরিবার বর্তমান মন্দিরটি তৈরি করে দেন। শ্রীরামকৃষ্ণ এই মন্দিরে এসেছিলেন। শোনা যায়, নাট্যসম্রাট গিরিশচন্দ্র ঘোষ এই মন্দিরের দেবীকে ‘উত্তর কলকাতার গিন্নি’ বলতেন। কালীপুজোর রাতে আজও তন্ত্রোক্ত বিধিতে দেবীর পুজো হয়। তাই পুরোহিত আদা, চানাচুর ও কারণ খেয়ে পুজোয় বসেন। শোনা যায়, আগে নরবলি হত। এখন মানতের পশুবলি হয়। কার্তিকী অমাবস্যা ছাড়াও বুদ্ধ পূর্ণিমায় ফুলদোল এবং জ্যৈষ্ঠ মাসের ফলহারিণী কালীপুজো সাড়ম্বরে পালিত হয়। রাজা নবকৃষ্ণ দেবের নির্দেশ অনুসারে সে কাল থেকে এ কাল শোভাবাজার বাজার থেকে সব্জি আসে ভোগের জন্য। কালীপুজোর ভোগে থাকে খিচুড়ি,ভাজা, সাদাভাত, ডাল, নানা ধরনের তরকারি, ডালনা, মাছ, চাটনি, পায়েস ইত্যাদি। 

Special Articles On Kali Temples Of Kolkata-Ananda Utsav

পুঁটে কালী (কালীকৃষ্ণ টেগোর স্ট্রিট) এখানে পুজো হয় তন্ত্র মতে। পুজোর ভোগে থাকে খিচুড়ি, লুচি, পোলাও, নানা ধরনের তরকারি, পাঁচ রকমের মাছ, চাটনি, পায়েস। এ ছাড়াও থাকে খাস্তা কচুরি আর চানাচুর। কালীপুজোর পরের দিন হয় কুমারী পুজো ও অন্নকূট উৎসব।

Special Articles On Kali Temples Of Kolkata-Ananda Utsav

জয় মিত্র কালিবাড়ী ১৮৫০ সালে শোভাবাজার অঞ্চলের বাসিন্দা জয়নারায়ণ মিত্র বরাহনগর-মালপাড়ার কুঠিঘাট অঞ্চলে বারোটি আটচালা শিব মন্দির সহ কৃপাময়ী কালীমন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মন্দিরটি নবরত্ন শৈলীর হলেও প্রথাগত নবরত্ন শৈলীর থেকে কিছুটা আলাদা। বাঁকানো চালের পরিবর্তে দেখা যায় দোতলা দালান মন্দিরের কোণে কোণে চূড়া রয়েছে। শোনা যায়, শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণীকে ‘মা’ বলে আর ‘কৃপাময়ী’ ও ‘ব্রহ্মময়ীকে’ মাসি বলে ডাকতেন। 

রাজরাজেশ্বরী কালী (জোড়াবাগান) ব্রিটিশ শাসন কালে বার্ড অ্যান্ড কলিয়ার কোম্পানির বেনিয়ান রামনারায়ণ মিশ্র অষ্টাদশ শতকের শেষ ভাগে তাঁর জোড়াবাগান অঞ্চলে গৌর লাহা স্ট্রিটের বসত বাড়িতে রাজরাজেশ্বরী কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কালীমূর্তিটি কষ্টি পাথরের হলেও শিব মূর্তিটি অষ্টধাতুর তৈরি। কালীপুজো উপলক্ষে বিশেষ পুজো এবং ভক্তসমাগম হয়। এ ছাড়াও এখানে ফলহারিণী কালী ও রটন্তী কালীপুজো হয়। 

Special Articles On Kali Temples Of Kolkata-Ananda Utsav

ফিরিঙ্গি কালী (বউবাজার) এই মন্দিরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অ্যান্টনি কবিয়ালের নাম ও নানা কাহিনি। মন্দিরের প্রতিষ্ঠাকাল নিয়েও গবেষকদের মধ্যে রয়েছে মতান্তর। কারও কারও মতে এক নমঃশূদ্র ব্যক্তি এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরে শ্রীমন্ত পণ্ডিত নামক এক ব্রাহ্মণ এই মন্দিরের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। অন্য একটি মত অনুসারে প্রথমে এখানে ছিল একটি শিবমন্দির। পরে শ্রীমন্ত পণ্ডিত এখানে কালীমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই সময় শ্রীমন্ত পণ্ডিত নাকি বসন্ত রোগের চিকিৎসা করতেন। অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান-ফিরিঙ্গি অধ্যুষিত বউবাজার অঞ্চলে তিনি বহু মানুষকে চিকিৎসা করে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনেছিলেন। কৃতজ্ঞতা স্বরূপ বহু ফিরিঙ্গি শ্রীমন্ত পণ্ডিতের মন্দিরে পুজো দিতে আসত। সেই কারণেই লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ে ফিরিঙ্গি কালী নামটি। জনশ্রুতি এই মন্দিরের পাশের গলিতে থাকতেন অ্যান্টনি সাহেবের মামা অ্যারাটুন সাহেব। সেখানে যাতায়াত থাকায় মাঝে মাঝে অ্যান্টনি সাহেব নাকি মন্দিরের চালায় বসে গান গাইতেন। মতান্তরে তিনি নাকি একটি কালী মূর্তি গড়ে এই মন্দিরে বসিয়ে দিয়েছিলেন। শোনা যায়, মন্দিরের পুরনো মূর্তিটি ছিল মাটির। ১৯৪৬-এর দাঙ্গায় পুরনো মূর্তিটি ধ্বংস হয়ে যায়। পরে ১৯৮৭ সালে কংক্রিটের মূর্তিটি তৈরি করা হয়। কালীপুজোয় আজও বহু ভক্ত সমাগম হয় এখানে। 

Special Articles On Kali Temples Of Kolkata-Ananda Utsav

গোহোদের কালীমন্দির (বৃন্দাবন বোস লেন) বাংলার ১২৫৭ সালে ফাল্গুন সংক্রান্তিতে নিস্তারিণী কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শিবচরণ গুহ। দালান রীতির এই মন্দিরের পাশেই রয়েছে একচালা শিবের মন্দির। আগে প্রতি অমাবস্যায় বলিদান হলেও এখন প্রতিষ্ঠাদিবসে এবং কালীপুজোয় মন্দিরের তরফে বলি হয়। এ ছাড়াও হয় ভক্তদের মানতের বলি। অন্নভোগ না হলেও লুচিভোগ দেওয়া হয়। প্রতি দিন ভোরে হয় মঙ্গলাআরতি। দীপান্বিতা অমাবসায় যখন বিশেষ পুজো হয় তখন দেবীকে দিগম্বরী রূপে পুজো করা হয়। পুজো শেষে দেবীকে বেনারসি শাড়ি পরানো হয়। 

Special Articles On Kali Temples Of Kolkata-Ananda Utsav

আনন্দময়ী কালীমন্দির (রামদুলাল সরকার স্ট্রিট) কলকাতার ব্যতিক্রমী কালীমন্দিরগুলির মধ্যে এই মন্দিরটির কথা উল্লেখ্য। স্থাপত্য শৈলীতে দালান শৈলীর মন্দির। তবে দেবীর মূর্তি ব্যতিক্রমী। কলকাতার মধ্যে এটি সম্ভবত একমাত্র প্রাচীন বসাকালীর মূর্তি। রামদুলাল সরকার স্ট্রিটের  মতিলাল বন্দ্যোপাধ্যায় স্বপ্নাদেশ পেয়ে জঙ্গলে ঘেরা একটি জায়গায় মাটির কালীমূর্তি দেখতে পান। স্থানীয় মিত্র পরিবার সেই কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য জমি দান করেছিল। প্রতিবছর কালীপুজোর আগে অঙ্গরাগ করা হয়।

 

সর্বশেষ সংবাদ

ভাইকে এ বছর ভাইফোঁটাতে কী দেবেন ভেবেছেন? চলুন দেখি কিছু উপহারের নমুনা।
থাকছে অসংখ্য সিসি ক্যামেরার নজরদারি।
আজ কালীপুজো। দীপাবলির আলোয় সেজেছে চারিদিক।
বাজি পোড়ানোর সময় কিছু সাবধানতা নিতে বললেন চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা নন্দিনী রায় ও চেষ্ট ফিজিশিয়ান ডা সুস্মিতা রায়চৌধুরি।
মোমপ্রদীপ ও ফ্যান্সি প্রদীপের চাহিদা
শিল্পী মগ্ন হয়ে দেখতে থাকেন নিজের সৃষ্টি
মায়ের হাতের বুঁদিয়া-ভুজিয়া, বন্ধু হাসিনা-কাকলিদের সঙ্গে হুটোপাটির স্মৃতিতে বুঁদ হন কলকাতার বড়বাড়ির বধূ।
লাড্ডুটা সত্যিকারের নয় তো বটেই। এ হচ্ছে আলোর খেলা।