দীপাবলি-ভাইফোঁটায় উপহার দিন কম বাজেটের ক্যামেরা

স্বপন দাস
১৬ অক্টোবর, ২০১৭, ১৬:০৯:১২ | শেষ আপডেট: ১৬ অক্টোবর, ২০১৭, ১০:৫১:৩৯
১৮৮৫ সাল। জর্জ ইস্টম্যান প্রথম ছবি তোলার জন্য ব্যবহার করলেন পেপার ফিল্ম। আর সে দিন ছবি তোলার দুনিয়ায় যুগান্তকারী পরিবর্তন এল। ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
কমপ্যাক্ট ডিজিটাল ক্যামেরার দাম শুরু ২১০০ টাকা থেকে।

আমরা যে সাধারণ ক্যামেরা দেখি, অতীতে সেই ক্যামেরায় ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো পড়ে ছবি উঠত। কিন্তু যে দিন আমাদের হাতে ডিজিটাল ক্যামেরা এল, অর্থাৎ চার্জ কাপল ডিভাইসেস, সংক্ষেপে আমরা যাকে সিসিডি বলে থাকি, সেই ডিভাইসে ছবিকে ধরে রেখে দেওয়ার ক্ষমতাসমৃদ্ধ একটি যন্ত্র এল, আমাদের ফটোগ্রাফির জগৎটাই অন্য রকম হয়ে উঠল। এখন আমরা সেই ডিজিটাল যুগেই বিচরণ করছি।

অতীত থেকে আজ স্টিল ক্যামেরাকে আমরা নানা নামে চিনি। যেমন, অটো ফোকাস ক্যামেরা, বক্স ক্যামেরা, কম্প্যাক্ট ক্যামেরা, ইন্সট্যান্ট ক্যামেরা, ডিজিটাল ক্যামেরা, পিন হোল ক্যামেরা সমেত আরও নানা নামে। আবার একেই কখনও এসএলআর বলছি তো কখনও ডিএসএলআর।

আমরা যারা একটু ছবি তুলতে চাই, ফোকাস করা, অ্যাপারচার কন্ট্রোল সমেত নানা ঝামেলা এড়াতে চাই, তারা সবাই ওই ধর আর ক্লিক কর ক্যামেরাই বেশি পছন্দ করে থাকি। সঙ্গে থাকে সাধ আর সেই সাধ্যের সমন্বয়।

বাজারে যে সব চালু ক্যামেরা আছে সেগুলি সবই মোটামুটি ভাল। কোনওটার পিক্সেল একটু বেশি, কোনওটার একটু কম। মনে রাখবেন, যে ক্যামেরার পিক্সেল বেশি, সেই ক্যামেরার ছবির ঔজ্জ্বল্য তত বেশি। আর ডিটেলিং-এর বিষয়টাও অনেক বেশি পাবেন আপনি। আর একটা বিষয় অবশ্যই এ ক্ষেত্রে বলা প্রয়োজন যে, ক্যামেরায় জুমটাও (নিয়ন্ত্রিত জুম) দেখে নেবেন। কেননা, দূরের ছবিকে কাছে আনার একটা বাসনা তো মনের মধ্যে থাকেই।তার জন্য এ বার দেখে নেওয়া যাক আমাদের সাধ্যের মধ্যে থাকা কিছু সেই ধরনের ভাল ক্যামেরা। চাহিদার নিরিখে ক্যানন, নিকন আর সোনি সবার আগে। তবে ফুজি, অলিম্পাস-এর মতো ক্যামেরাও মানুষ খুঁজছেন।

Camera In Your Budget For Your Brother- Ananda Utsav 2017

প্রথমে সোনির কথায় আসি। কমপ্যাক্ট ডিজিটাল ক্যামেরার দাম শুরু ২১০০ টাকা থেকে।সোনি ক্যামেরা লেন্সের (ZEISS Vario-Sonnar)জন্যই বিখ্যাত।

চাহিদা আছে ২০ মেগাপিক্সেলের আর এক্স ১০০ ভি মডেলের, আর এক্স ২-এর, আর এক্স ১০০ ফোর, এইচ এক্স ৩৫০-এর।এগুলির অপটিক্যাল জুম বেশ ভাল।

এ বার আসি নিকন ক্যামেরায়।নিকন-এর কমপ্যাক্ট ক্যামেরাকে সবাই কুলপিক্স নামেই চেনে।নিকন-এর জুম আর মেগাপিক্সেল বেশি থাকায় চাহিদা তুঙ্গে।ফাইভ এক্স থেকে ৮৩ এক্স অপটিক্যাল জুম আছে এই কুল পিক্স ক্যামেরায়।দাম একটু ভাল নিতে গেলে ৫২০০ টাকা থেকে ৩২৫০০ টাকার মধ্যে বাজেট ঠিক করতে হবে।৮৩ এক্স  অপটিক্যাল জুমের পি ৯০০ ক্যামেরার দাম ৩২৫০০-র একটু বেশি, আর সব থেকে বেশি চাহিদার বি ৭০০ মডেলের দাম ২৩৫০০-র একটু বেশি।এটাতে আবার ৬০ এক্স অপটিক্যাল জুম আছে।তবে এ ১০ ক্যামেরাটিও হেলাফেলার নয়।১৬.১ মেগাপিক্সেলের এই ক্যামেরাতে অপটিক্যাল জুম ৫এক্স।আর দাম সাড়ে পাঁচ হাজারের মধ্যে।

ক্যাননের কম্প্যাক্ট ক্যামেরা আবার পাওয়ার শট নামেই বেশি পরিচিত।বাজেট তৈরির আগে মনে রাখবেন একটু ভাল ক্যামেরা নিতে গেলে ৭ হাজার থেকে ৬২ হাজারের মধ্যে ঠিক করবেন।

ক্যাননের সি সি ডি তো আছেই, সম্প্রতি একটু বেশি দামের কম্প্যাক্ট ক্যামেরায় যুক্ত হয়েছে সি এম ও এস আর ওলেড কারিগরি। সঙ্গে ডট বাই ডট ৪কে আউটপুট।

ক্যাননের পাওয়ার শট জি ৩ এক্স, জি ৫ এক্সের  সঙ্গে দেখতে পারেন ওয়াই ফাই সুবিধাযুক্ত জি ৯এক্স মডেলটাও, যদি বাজেট ১৭ হাজারের মধ্যে থাকে, একই সুবিধা, মানে ওয়াই ফাই সুবিধার এস এক্স সিরিজের ৬২০ এইচ এস বা ৪৩০ আই এস দেখতে পারেন।আর যাঁদের বাজেট আরও কম, তাঁরা একই সুবিধাযুক্ত আই এক্স ইউ এস ১৯০ মডেলটিও দেখতে পারেন। আর হ্যাঁ, প্রিন্ট নেওয়ার জন্য সেলফি সি পি ১২০০ একটু দেখবেন। যদি কাজে লাগে সব শেষে বলি, দোকানে তো পাবেনই, অনলাইনে কিনলে কিছু বেশি ছাড় মিলতে পারে। এখন বিভিন্ন ফিনান্স কোম্পানি আবার বিনা সুদে কেনার সুযোগ দিতে হাজির আপনার কাছে।

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।
সকলকে সাজিয়ে তুলতে দিওয়ালির সম্ভার নিয়ে হাজির ডিজাইনার শান্তনু গুহ ঠাকুরতা।