মোবাইল কেনার আগে খোঁজ নিন কাছাকাছি সার্ভিস সেন্টারের

স্বপন দাস
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১৫:৫৩:৩৯ | শেষ আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, ১৯:১১:৪৬
এই পুজোর মুহূর্তগুলি ফ্রেমবন্দি করতে হাতে নিন আধুনিক মোবাইল। সন্ধান দিচ্ছেন স্বপন দাস।
স্মার্ট ফোন পুজোর আগেই বাজারে আসতে শুরু করে দিয়েছে।

হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন। আমাদের বড় উৎসব আসছে। আমরা কোথাও বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই করে ফেলেছি। নয়তো উৎসবের প্রতিটি মুহূর্তকে স্মৃতির মণিকোঠায় উজ্জ্বল করে রাখার জন্য কিছু না কিছু ভাবতেও শুরু করেছি। সব জায়গায় একটি বিষয় বড় জায়গা করে নিয়েছে।সেটি আর কিছু নয়, একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন। মোবাইল কোম্পানিগুলি গত বছর আমাদের চাহিদার সঙ্গে এ বছরের চাহিদাকে মিলিয়ে সে রকম স্মার্ট ফোন পুজোর আগেই বাজারে নিয়ে আসতে শুরু করে দিয়েছে।

আমাদের চাহিদাকে একটু ঝলিয়ে নেওয়া যাক:

১) আমরা চাই না মোবাইলের একটা অতিরিক্ত বোঝা, মানে পাওয়ার ব্যাঙ্ক বইতে, তাই মোবাইলের ব্যাটারির শক্তিকে একটু বেশি সময়ের জন্য চাই।

২) ক্যামেরা, বিশেষ করে সেলফি তোলার জন্য, এর সঙ্গে আর সব ছবি তোলার জন্য একটু বেশি মেগা পিক্সেল চাই।

৩) মোবাইল যাতে হ্যাং না করে, আর সমস্ত অ্যাপ যাতে তাড়াতাড়ি খোলে সেই সুবিধাও চাই। সে জন্য মোবাইলে থাকবে ইন্টারনাল একটু বেশি জিবি-র র‍্যাম, বেশি জিবি-র মেমারি।সঙ্গে এক্সটারনাল বেশি জিবি’র মেমারি ফোনের জিবি’র সঙ্গে সংযুক্ত করার সুবিধা।

শহরের বেশ কয়েকটি বড় মোবাইলের দোকানে আমরা গিয়ে ঠিক এই তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছি।

এ বছর এই তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে পেতে গেলে, পকেটে একটু বেশি কিছু নিয়েই যেতে হবে, সব চেয়ে কম ১২ হাজার টাকা। অবশ্য এ বছর দোকানগুলিতে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণের জন্য বাজেট নিয়ে যাচ্ছেন ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজারের মধ্যে। এমনটাই জানালেন বিক্রয় প্রতিনিধি শুভ মিত্র, সনু রায়রা। আপনার স্বপ্নপূরণের জন্য বিভিন্ন ফিন্যান্স কোম্পানি সামান্য প্রসেসিং চার্জ নিয়ে বিনা সুদে, কিস্তিতে মোবাইল কেনার সুযোগ করে দিয়েছে। এই কিস্তিতে পাওয়ার সুবিধা অধিকাংশ ফিনান্স কোম্পানি ১০ হাজার টাকার বেশি দামের মোবাইলে দিচ্ছে, যেটা গত বছর ১৫ হাজার ছিল। দোকানে গিয়ে খোঁজ নিলে একটি আবার নতুন ফিনান্স সংস্থার খোঁজ পাবেন, যারা আবার প্রসেসিং ফি নিচ্ছে না। আরও একটি বিষয় মনে রাখবেন, বেশ কিছু মডেলে জিরো ডাউন পেমেন্ট। তবে অধিকাংশ ফিনান্স কোম্পানি ডাউন পেমেন্ট  হিসাবে তিন ভাগের এক ভাগ দাম নেয়। বাকিটা কিস্তিতে।

এ বার আসা যাক কী কী মোবাইলের চাহিদা এ বার বেশি, সে প্রসঙ্গে। সবচেয়ে বেশি স্যামসুং-এর জে৭, এস৮ সিরিজ, নোট সিরিজের, ভিভো, অ্যাপো-র চাহিদাও খুব, এর পর নোকিয়ার খোঁজ করছেন সবাই, বিশেষ করে নোকিয়া ৫ এবং ৩ মডেলের। চাহিদার নিরিখে এ বছর আই ফোন, অ্যাপল-এর চাহিদাও বেশ। তবে এইচটিসি, জিওনি, মাইক্রোম্যাক্স-এর চাহিদা মিশ্র।

এ বার আমাদের চাহিদাপূরণের কয়েকটি মডেলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া যাক।

কম পয়সায় ভাল: নোকিয়া ৩  ও নোকিয়া ৫-এর মডেল। নির্মাতা ও বিক্রেতারা জানাচ্ছেন যে এর ক্যামেরা ও ব্যাটারি অন্য দামি অ্যানড্রয়েডের মতো। বেশি সময় চাঙ্গা থেকে আমাদের কথা বলার সুযোগ করে দেয়, স্যামসুং জে৭ সিরিজের পর সঙ্গে গ্যালাক্সি নোট— ভাল ক্যামেরা, ভাল স্টোরেজের জন্য , ভিভো আর অ্যাপো সেলফির জন্য খুব ভাল, মাইক্রোম্যাক্স-ও চলে যায়।এই তথ্য মোবাইল বিক্রেতাদের থেকেই পাওয়া।

এ বার আসি কিছু লেটেস্ট মোবাইল ফোনের কথায়, যেগুলি কারিগরি দিক থেকে খুব উন্নত।

মোবাইল নিয়ে যাঁরা একটু খোঁজখবর রাখেন তাঁরা মনে করছেন, এল জিভি ৩০  প্লাস, জিওমি এমআই মিক্স ২, মাইক্রোম্যাক্স এভোক ডুয়াল নোট, মোটো এক্স ফোর, রেডমি নোট ৫এ, মোটো জেড ২ ফোরস, স্যামসুং গ্যালাক্সি সি৭ আগামী দিনে ফিচার অনুযায়ী বাজারের দখল নেবে। মনে রাখবেন, এ বার কম দামে বেশি মেগা পিক্সেলের ক্যামেরা ও বেশি জীবনীশক্তির ব্যাটারি দিয়ে প্রায় সব কোম্পানি অনেক মডেল বাজারে এনেছে, সবগুলিই ফোর জি সিম সাপোর্ট করবে। তাই এ বার মোবাইল বাজারে গিয়ে একটু চোখকান খোলা রেখে আধুনিক হওয়ার চেষ্টা করুন। নইলে নিজেই ঠকবেন। আফটার সেল সার্ভিসের কথা কিন্তু ভুলবেন না। সার্ভিস সেন্টারের তালিকা চেয়ে নেবেন, বাড়ির কাছাকাছি যে কোম্পানির সার্ভিস সেন্টারের সুবিধা আছে সেটিই পছন্দের ব্র্যান্ডের সঙ্গে বেছে নেবেন।

সর্বশেষ সংবাদ

দীপাবলি মানে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরা। ফুল, প্রদীপ, রঙ্গোলির রঙে মনকে রাঙিয়ে তোলা।
হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
এই একবিংশ শতাব্দীতে ১৫৯০-এর একটুকরো আওধকে কলকাতায় হাজির করেছেন ভোজনবিলাসী শিলাদিত্য চৌধুরী।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
শারদীয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই আগমনীর বার্তা নিয়ে হাজির দীপান্বিতা।