কান আর শরীরের আরাম বুঝে হেডসেট কিনুন

স্বপন দাস
১৭ অক্টোবর, ২০১৭, ১৪:৩৫:০৮ | শেষ আপডেট: ১৭ অক্টোবর, ২০১৭, ০৯:১৮:২৫
শব্দদূষণ নিয়ে অনেক হইচই । কিন্তু আমাদের শরীরের ক্ষেত্রে শব্দদূষণ নিয়ে চিন্তা কি কারও মাথায় আছে? হয়তো আছে। না হলে বোনেরা দোকানে গিয়ে ভাইফোঁটায় ভাইকে দেবেন বলে এমন হেডসেট বা হেডফোন খুঁজছেন যাতে কানে বা শরীরে কোনও রকম ক্ষতি না হয়। আবার অনেকে মর্নিং ওয়াক বা মেডিটেশনের সময় কানে হেডসেটটি লাগিয়ে রাখেন। তাঁরাও খুঁজছেন একটি শরীর-বান্ধব হেডসেট। এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে বাইরের অনেক অবাঞ্ছিত শব্দ যখন ওই হেডসেট বা হেডফোনের কারণে কানের মধ্য দিয়ে সরাসরি শরীরে ঢোকে তখন আমাদের শ্রবণশক্তিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত করে তেমনই শরীরে ডেকে আনে স্নায়ুঘটিত নানা অস্বস্তি। সম্প্রতি একটি গবেষণায় ব্লুটুথ হেডসেটের রেডিয়েশনের কারণে শারীরিক অস্বস্তির নানা কারণের কথা জানিয়েছেন গবেষকরা। চিকিৎসকরা বলছেন যে প্রাথমিক ভাবে একটি হেডফোন বা হেডসেট এমন বাছুন যা কি না আপনার কান আর শরীরকে কষ্ট না দেয়।
কমে পাবেন, কিন্তু বিক্রেতাদের মতে গুণমানে হেরফের হবে।

এ বার হদিশ দেওয়া যাক কিছু শরীর-বান্ধব হেডফোনের বা হেডসেটের।দামটা কিন্তু বলা যাচ্ছে না, তার কারণ আর কিছুই নয়, ডিলার ডিসকাউন্টের লড়াইতে দামের হেরফের অনেকটা হয়।বাজেট শুরু করুন দু’হাজার টাকা থেকে।কমে পাবেন, কিন্তু বিক্রেতাদের মতে গুণমানে হেরফের হবে।

বস কোয়াইট কম্ফরট ৩৫:এই হেডসেটটি ‘বস’-এর তৈরি, কেনা সাধ্যের মধ্যে।এটি শরীর-বান্ধব বলে অনেকেই মনে করেন। এর কারণ আর কিছুই নয়, অবাঞ্ছিত শব্দ যাতে না ঢোকে তার জন্য এই হেডসেটটি তৈরি হয়েছে আধুনিক কারিগরি বিদ্যায় (নয়েজ ক্যান্সেলিং টেকনোলজি)।নানা রং, নানা মাপ আর নানা অত্যাধুনিক মডেলে সুবিধামতো পাওয়া যায়।

‘বসকোয়াইট কন্ট্রোল ৩০:মূলত যারা ভিডিও গেম খেলতে ভালবাসতেন, তাদের প্রয়োজনে ১৯৮০ সালে এই হেডসেটটি তৈরি হয়েছিল।এখনও নির্মাতারা বলেন, মাথা আর কান দুটোকেই স্বস্তি দেয় এই হেডসেট।বিশেষ করে যারা হেডসেটটিকে কানছাড়া করতে চান না।

মোনোপ্রাইস হাই ফাই:দাম একেবারে সাধ্যের মধ্যে।সাধারণ দোকানে না পেলে অনলাইনেও পেতে পারেন বিশ্বের বাজারে সবচেয়ে সস্তার এই অ্যাক্টিভ নয়েজ রিডাকশন কারিগরি বিদ্যায় তৈরি হেডসেট।বাইরের অবাঞ্ছিত শব্দ যেমন আটকায়, তেমনই ট্রিপল ‘এ’ ব্যাটারিতে চলে ৫০ ঘণ্টা পর্যন্ত।আর ২২ ডেসিবেলের বেশি শব্দকে কানের ভিতর ঢুকতেই দেয় না।

সেনহাইজার পি এক্স সি ৪৮০:গান শুনতে গিয়ে যদি কানের আরাম চান তা হলে এই হেডসেটটি নিতে পারেন।কানে চেপে হেডফোনটি লাগিয়ে রাখতেও হয় না।আর এই হেডসেটটি ব্যবহার করতে করতে আপনি যদি কারও সঙ্গে গল্প করেন, সেই গল্পের কথা আপনার শুনতে অসুবিধা হবে না।

আমাদের কাছে এখন সবচেয়ে চাহিদার সোনি, স্যামসাং, এলজি, ফিলিপস-এর তৈরি হেডফোন।এগুলির সবই হাই ডেফিনিশন সাউন্ড সমৃদ্ধ।আমাদের হাতের কাছে দোকানে খুব সহজেই পাওয়া যায়।তাই এগুলি নিয়ে বিশেষ কিছু না বলাই ভাল।কেননা, দোকানে গিয়ে একবারে হাতে নিয়ে পরীক্ষা করে দেখে নিতে পারবেন।তবুও কিছু মডেলের কথা বলা যাক।দাম শুরু ২৫০ টাকা থেকে এক হাজার টাকার মধ্যেই।

সোনি: সোনি এম ডি আর– জেড এক্স ১১০, এক্সট্রা বাস এম ডি আর- এক্সবি ৫৫০ এপি, এম ডি আর– এক্সবি ৪৫০

ফিলিপস: এস এইচ কিউ ১২০০, এস এইচ পি ২০০০

এলজি: ম্যাক বেরি এইচ বি এস ৭৩০

সর্বশেষ সংবাদ

ছবি তোলার প্রথম ক্যামেরা কোডাক যে দিন বাজারে এল বিক্রির জন্য, সেই ১৮৮৮ সালে। পাল্টে গেল ছবি তোলার সংজ্ঞাই।
আগে এই প্রথা মূলত অবাঙালিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন লক্ষ্মীলাভের আশায় বাঙালিরাও সমান ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
ধন কথার অর্থ সম্পদ, তেরাসের অর্থ ত্রয়োদশী তিথি।
আমেরিকার সেন্ট লুইসের প্রায় ৪০০ বাঙালিকে নিয়ে আমরা গত সপ্তাহান্তে মেতে উঠেছিলাম দূর্গা পুজো নিয়ে।
সকলকে সাজিয়ে তুলতে দিওয়ালির সম্ভার নিয়ে হাজির ডিজাইনার শান্তনু গুহ ঠাকুরতা।
সকালে অন্যরা যখন ঘুমিয়ে পুজোর হুল্লোড়ের স্বপ্ন দেখছে আপনি তখন ঘেমে নেয়ে একাকার।
শুধু সল্ট লেক সিটি নয়, সাতশো মাইল দূর থেকেও অনেকে এই পুজো দেখতে এসেছিলেন।
আমরা যে ছবিই তুলি না কেন, একটু ডিটেলিং পছন্দ করে থাকি।