যাত্রী-সুরক্ষা থেকে চালক-বন্ধু হয়ে ওঠার সব গুণই হাজির টাটা হ্যারিয়ারে

জয়দীপ সুর

২৬ অক্টোবর, ২০২০, ১৮:০৮
শেষ আপডেট: ২৬ অক্টোবর, ২০২০, ১৮:১৯

চালকের কথা ভেবে ইলেক্ট্রনিক স্টেবিলিটি প্রোগ্রাম (ই এস পি)-এর ১৪টি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি রাখা হয়েছে এই গাড়িতে।


স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল, মানে যাকে আমরা সংক্ষেপে এস ইউ ভি গাড়ি বলি, তেমন গাড়ির মালিক হওয়ার বাসনা অনেকের মনেই লুকিয়ে থাকে। তাঁদের জন্যই এক অন্য দিগন্ত খুলে দিয়েছে টাটা মোটর্সের হ্যারিয়ার (Harrier)।  বিশেষত এর চালক থেকে সওয়ারি, দুজনের জন্যই।

প্রশ্ন করতেই পারেন, কী ভাবে? উত্তর আছে এর চালিকা শক্তি, চালকের বন্ধু হয়ে ওঠার মতো প্রযুক্তি, আর ভারতের যে কোন ধরনের রাস্তায় এর চলার ক্ষমতা এবং সর্বোপরি এর যাত্রী নিরাপত্তার বিষয়টিতে।  এই গাড়িটিতে যুক্ত করা হয়েছে ৬টি এয়ার ব্যাগের নিরাপত্তা- যা চালক এবং সামনের আসনের সওয়ারি, এমনকি পিছনের সীটে বসা প্রত্যেকের জন্যই রয়েছে। শিশু সওয়ারীর জন্যও রয়েছে একটি এয়ার ব্যাগ। ফলে গাড়িটি দুর্ঘটনায় পড়লে চালক থেকে যাত্রী, প্রত্যেকেই একটু হলেও সুরক্ষা-বলয়ে থাকবে।

চালকের কথা ভেবে ইলেক্ট্রনিক স্টেবিলিটি প্রোগ্রাম (ই এস পি)-এর ১৪টি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি রাখা হয়েছে এই গাড়িতে। ফলে যে কোনও ধরনের রাস্তায় চলা ও পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার ক্ষমতা তার ভিতরেই রয়েছে। 

আরও পড়ুন: একশো ভাগ যাত্রী-নিরাপত্তা টয়োটার আর্বান ক্রজারে

হ্যারিয়ারের ক্রায়োটেক ২.০ টার্বোচার্জড ডিজেল ইঞ্জিন গাড়িটির ক্ষমতাকে অন্যদের থেকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারত স্টেজ সিক্স ইঞ্জিন, সঙ্গে ৬ স্পিড ম্যানুয়াল ও স্বয়ংক্রিয়, দু ধরনের ট্রান্সমিশন থাকায় চালক একটা বাড়তি সুবিধাও পাবেন।

২০১৮ সালে যখন টাটা মোটর H5X কনসেপ্ট নিয়ে এসেছিল, তখন থেকেই একটা আগ্রহ তৈরি হয়েছিল গাড়িপ্রেমীদের মনে। টাটা হ্যারিয়ার প্রকাশ্যে আনা হয় ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে। গাড়িটি তখন থেকেই জনপ্রিয়। এর কারণ হিসেবে ওমেগা আর্ক  পেডিগ্রির কথা সবাই বলে থাকেন।

গাড়ির ডিসপ্লে ড্যাশবোর্ড একেবারে আধুনিক। অ্যান্ড্রয়েড অ্যান্ড অ্যাপল কার-প্লে যুক্ত প্রযুক্তি রয়েছে, যেটা কানেক্ট নেক্সট অ্যাপের যোগ্য সঙ্গী হয়ে উঠবে। যারা একটু ভিডিও দেখতে ভালবাসেন বা গান শুনতে, তাঁদের জন্যও রয়েছে যাবতীয় ব্যবস্থা।

আরও পড়ুন: শৌখিন গাড়ি প্রেমিকদের মনের আকাঙ্ক্ষা পুরণ করবে নতুন থর ক্লাসিক

এ বার একটু দামের দিকে তাকানো যাক। ডিজেল ম্যানুয়াল-এর অনেকগুলি মডেল রয়েছে। যার দামের রেঞ্জ ১৩ লাখ ৮৪ হাজার থেকে ১৯ লাখ ১০ হাজার। ডিজেল অটোমেটিক নিলে আর একটু বেশির দিকে- ১৬ লাখ ৪০ হাজার থেকে ২০ লাখ ৩০ হাজার । মডেল অনুযায়ী দাম পরিবর্তন হবে। এই দামগুলি সবই কলকাতার নিরিখে।