সর্বজনের আনন্দমেলা নয়ডার লোটাস বুলেভার্ডে

অম্লান চক্রবর্তী

১২ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:৩৩
শেষ আপডেট: ১২ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:৪৫

এ বার তৃতীয় বছরে পা দিল লোটাস বুলেভার্ডের পুজো।


উদযাপন বাঙালি ঘরানার। কিন্তু উৎসবে সকলকে মিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় এ বার তৃতীয় বছরে পা দিল লোটাস বুলেভার্ডের পুজো। নয়ডা সেক্টর ১০০-য় আবাসিক সমিতির এই পুজো এ বার সূচনা হয়েছে অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার (এএসডি) এবং ইন্টেলেকচুয়াল ডিজঅ্যাবিলিটি (আইডি)-তে আক্রান্ত শিশুরা। সঙ্গে ছিলেন তাঁদের শিক্ষকেরাও। পুজোর উদ্যোক্তা লোটাস বুলেভার্ড সাংস্কৃতিক সমিতির (এলবিবিএস) সভাপতি এ সজ্জনের কথায়, ‘‘সবাইকে আমরা এই উৎসবে টেনে আনার চেষ্টা করি। সেই কারণেই বাঙালি ছাড়া অন্যান্য সম্প্রদায়ের মধ্যেও এই পুজো জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আমরা যখন উৎসব করছি, তখন ওই শিশুদেরও তাতে সামিল করার চেষ্টা করেছি। এখান থেকে ঘুরে গিয়ে তারা আমাদের লিখে জানিয়েছে তাদের খুশির কথা। কোনও পুজোর জন্য এর চেয়ে বড় প্রশংসা আর কী হতে পারে!’’

আরও পড়ুন: গোরেগাঁওয়ের কল্লোল-এর দুর্গাপুজো বাঙালিয়ানার সঙ্গে সামাজিক কর্মসূচির মেলবন্ধন

আরও পড়ুন: স্টকহলমের দুর্গাপুজো এ বার সাতে পা দিল​

পরিবেশের কথা মনে রেখে পুজোকে রাখা হয়েছে সবুজ। তার আগে আয়োজন হয়েছিল ‘আনন্দমেলা’র। যেখানে বাঙালি ঘরোয়া রান্না বিক্রি হয় নামমাত্র দামে। সবটাই অবশ্য কেবল আনন্দের জন্য। পুজো জুড়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ক্যুইজ কনটেস্ট— জমজমাট আসর। ক্যুইজের বিজয়ী সৌরভ উপাধ্যায় বলছেন, ‘‘অন্য পুরস্কারের সঙ্গে জয়ীদের জন্য ছোট টবে গাছও ছিল। এই ভাবনা অভিনব।’’