পুজো পরিক্রমা

  • আমার দুর্গা...

    এনজেপি স্টেশনে নামছি, হঠাৎ কানে এল, ‘‘দিদি, দু’প্যাকেট ধূপকাঠি নেবে? পাঁচ-পাঁচ দশ টাকা।’’

  • প্লাস্টিক বর্জন করল এই পুজো কমিটিগুলি

    মাটির সরা থেকে শালপাতা, প্রসাদ বিতরণে এরা ছাড়া গতি নেই। দুপুরের খাওয়া, প্রসাদ, ভোগ বিতরণ— সবেতেই প্লাস্টিককে সরিয়ে এ বার।

  • বারো ইয়ারি আয়োজনে পূজিতা হন গুপ্তিপাড়ার বিন্ধ্যবাসিনী

    গুপ্তিপাড়ায় বারোজনের একত্রিত উদ্যোগে পূজিতা এই জগদ্ধাত্রী দেবীই ‘বিন্ধ্যবাসিনী’ নামে পরিচিতা। আর এই মণ্ডপ ঠিক সেখানেই, যেখানে নাকি ১৭৫৯ সালে প্রথম বারোয়ারি বা বারো-ইয়ারি আয়োজনে বিন্ধ্যবাসিনী পূজিতা হয়েছিলেন।

  • এমন অলঙ্কারেও মা সাজেন এই সব বারোয়ারিতে!

    বনেদি বাড়ির সেই ঐতিহ্য আজ ছড়িয়ে পড়েছে শহর ও শহরতলির নানা পুজোয়। নানা বারোয়ারি পুজোও গয়নার চাকচিক্যে নিজেদের আভিজাত্য প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগেছে। কোথাও স্বর্ণালঙ্কারে সাজছেন দেবী, কোথাও গোটা বিগ্রহই সোনার। আবার কোথাও বা মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে রুপো দিয়ে। অনেক ক্ষেত্রেই এই গয়না-ই ভিড় টানার অন্যতম উপাদান হয়ে উঠছে।